ভোলায় ছাত্রদল নেতাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ তুলে জড়িতদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন নিহতের মা ইয়ানুর বেগম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, গত ২৪ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার দিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ঢাকায় যাওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তার ছেলে সিফাত হাওলাদার বাড়ি থেকে বের হন।
ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বাড়ির পাশেই আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে প্রকাশ্যে কুপিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সিফাতকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, নিহত সিফাত হাওলাদার ভোলা রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন। আগে অভিযুক্তদের কয়েকজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও বর্তমানে তারা জাতীয় পার্টি ও সংশ্লিষ্ট কিছু প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির ছত্রছায়ায় রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে হত্যাকারীরা বিভিন্নভাবে পরিবারকে ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি।
তিনি অবিলম্বে সিফাত হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান এবং বিষয়টি তদন্তে প্রধান উপদেষ্টাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।