ঢাকা | রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ক্যানসারের বিরুদ্ধে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন

author
ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৭
ad003
বিশ্ব ক্যানসার দিবস একটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিপালিত দিবস। প্রতি বছর ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস বা বিশ্ব ক্যানসার সচেতনতা দিবস পালন করা হয়। এই দিনটি ইউনিয়ন ফর ইন্টারন্যাশনাল ক্যানসার কন্ট্রোল নামক একটি বেসরকারি সংস্থার নেতৃত্বে উদযাপন করা হয়, যা আগে ক্যানসারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন নামে পরিচিত ছিল। এই সংস্থার সদর দফতর জেনেভায় অবস্থিত, যার ১৭০টিরও বেশি দেশে প্রায় দুই হাজার সদস্য রয়েছে। এই দিনটিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)  ক্যানসার প্রতিরোধ এবং ক্যানসার রোগীদের জীবনধারার মানোন্নয়নে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন এগেনস্ট ক্যানসার (International Union Against Cancer)-কে সহায়তা করে থাকে।

দিবসটি  উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো মারাত্মক ও প্রাণঘাতী এই ক্যানসার রোগ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়া এবং এই রোগে আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করার জন্য মানুষকে উৎসাহিত করা। ক্যানসার একটি বড় রোগ, যার সময়মতো চিকিৎসা প্রয়োজন। 

প্রতি বছর বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে বিপুল সংখ্যক মানুষ এই মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে বিশ্বে প্রতি বছর ৮২ লাখ মানুষ ক্যানসারে মৃত্যুবরণ করে। বিশেষ করে সাড়ে ১০ কোটি মহিলা ব্রেস্ট ক্যানসারে আক্রান্ত হন। দ্বিতীয় এ মরণব্যাধিতে আক্রান্তদের মধ্যে অধিকাংশই হচ্ছে বাংলাদেশসহ তৃতীয় বিশ্বের নাগরিক। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিবেদনে সচেতনতা ও শিক্ষার অভাব এবং অর্থনৈতিক অবস্থাকে বাংলাদেশে ক্যানসার ও এ রোগে মৃত্যুর হার বৃদ্ধির কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

চিকিৎসকরা মনে করেন, নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে ক্যানসারের রোগ তাড়াতাড়ি ধরা পড়ে এবং সে ক্ষেত্রে চিকিৎসা সহজ হয়। ক্যানসারের লক্ষণগুলো নির্ভর করে ক্যানসারটি কোথায়, এটি কতটা বড় এবং এটি কাছাকাছি কোনো অঙ্গ বা টিসুকে কতটা প্রভাবিত করে। ক্যানসার ছড়িয়ে পড়লে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লক্ষণ বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তারা বলেন, ক্যানসার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন। এটা কি ধরনের রোগ, কি কি কারণে ঝুকি বাড়ে, প্রতিরোধের জন্য কি কি করণীয় সে বিষয়ে সচেতনতা জরুরি।

একুশ শতকের এই যুগে ক্যানসারই আমাদের জীবনের সব থেকে বড় শত্রু হয়ে দাড়িয়েছে। এরকম অবস্থা বজায় থাকলে ক্যানসার খুব শিগগিরই হৃদরোগকে হার মানিয়ে দেবে যেটি কিনা মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী এক নাম্বার রোগ হিসেবে পরিচিত। আমাদের মধ্যে অধিকাংশই কোনো না কোনোভাবে ক্যানসারের সম্মুখীন হয়েছে; অর্থাৎ আমাদের পরিচিত কেউ না কেউ আছেনই যিনি কিনা ক্যানসারে আক্রান্ত বা আগে আক্রান্ত ছিল। 

২০০০ সালে প্যারিসে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রতিনিধি সম্মিলিতভাবে ৪ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব ক্যানসার দিবস হিসেবে পালনের ঘোষণা দেন। বিশ্ব ক্যানসার দিবসের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা, ক্যানসারের বিভিন্নতাকে বোঝা এবং সেই সঙ্গে বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রকে এই সমস্যাটি সম্পর্কে অবগত করা।

ক্যানসার চিকিৎসা অতি ব্যয়বহুল। আমাদের দেশে এই চিকিৎসা করাতে গিয়ে কত মানুষ, কত পরিবার নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে, তার কোনো পরিসংখ্যান নেই। দেশে ক্যানসার রোগীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন লাখ, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা কেন্দ্র আছে মাত্র ২২টি। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দেশে দৈনিক গড়ে ৪৫৮ জন নতুন করে ক্যানসারে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ক্যানসারে দৈনিক গড়ে মারা যাচ্ছে ৩১৯ জন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রোগের প্রকোপের তুলনায় দেশে চিকিৎসা ব্যবস্থা অপ্রতুল।

কমপক্ষে ৩২ ধরনের ক্যানসারে এ দেশের মানুষ আক্রান্ত হন বলে তথ্য দিচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ক্যানসার দীর্ঘস্থায়ী রোগ। এ রোগের চিকিৎসা চলে দীর্ঘদিন। ক্যানসারের চিকিৎসা ব্যয় অনেক বেশি। দরিদ্র মানুষের পক্ষে ক্যানসারের চিকিৎসা শেষ করে আরোগ্য লাভ করা কঠিন। দেশের ধনীদের একটি বড় অংশ ক্যানসার চিকিৎসার জন্য বিদেশে যায়। আস্থা রেখে ক্যানসার চিকিৎসা করা যায়, এমন প্রতিষ্ঠান দেশে এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি।

ক্যানসার কতটা সন্নিকটে?
 ১৯৯০ সাল থেকে করা পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতি বছরে নতুন ৮.১ মিলিয়ন ক্যানসারে আক্রান্তের তথ্য পাওয়া যায়। ২০১৮ সাল নাগাদ বছরে ১৮.১ মিলিয়ন নতুন রোগীর তথ্য পাওয়া যায়। প্রচলিত ক্যানসার সমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যথাক্রমে ফুসফুস, স্তন ও অন্ত্রের ক্যানসার। বৈশ্বিকভাবে এই বিষয়কে গুরুত্বের সঙ্গে যদি এখনই না নেয়া হয় তবে ধারণা করা যায়, ২০৩০ সাল নাগাদ বছরে ক্যানসার জনিত মৃত্যুর সংখ্যা ১৩.১ মিলিয়নে দাড়াবে। যদিও বর্তমানে মানুষের মধ্যে পাওয়া ক্যানসারের ৪০%-এরও বেশি নিরাময়যোগ্য এবং আক্রান্ত রোগীর বেচে যাওয়ার সংখ্যাও ক্রমান্বয়ে বাড়ছে। বিগত দশক ধরে ক্যানসার নিয়ে পড়াশোনা এবং একে বোঝার ফলস্বরূপ সম্ভবত এই উন্নতি সম্ভব হয়েছে যা ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নতুন সম্ভাবনারও জন্ম দিয়েছে। ক্যানসার নির্ণয়, চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি দেখা যায় তা রোগীদের ক্যানসারের সুষ্ঠু চিকিৎসার ব্যাপারে সর্বোচ্চ আস্থা দেয়।

ধাপ-১ : প্রতিরোধই সর্বসেরা ওষুধ
স্বাস্থ্যের যত্ন এবং সঠিকভাবে খাওয়া-দাওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসক দল ক্যানসারকে প্রতিহত করতেও যথাযথভাবে চেষ্টা চালিয়ে যান। আমাদের হাতে আছে এখন সার্ভিকাল ক্যানসারের ভ্যাকসিন (এইচপিভি) যা একযোগে ৯-৪৪ বছর বয়সী রোগীদের আজীবন সুরক্ষার জন্য দেয়া হয় (রোগীর বয়স অনুযায়ী পরিমাণ কম বা বেশি হতে পারে)। এই ভ্যাকসিন মূলত সার্ভিকাল ক্যানসার সৃষ্টিকারী ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং পুরুষদের  যৌনাঙ্গের জড়ুল ও মলদ্বারের ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে।

আমাদের প্রসারিত জ্ঞান ক্যানসারকে সঠিকভাবে আঘাত হানতে আমাদের সাহায্য করছে। উদাহরণস্বরূপ, ফুসফুসের ক্যানসারের একটি কারণ হচ্ছে সিগারেটের কালো ধোয়া যা জানার ফলে মানুষ ধূমপান ত্যাগ করছে বা বায়ুদূষণ আছে এমন স্থান পরিত্যাগ করছে। এই জ্ঞান থাকার কারণে মানুষ দূষণ রোধে মাস্ক ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে আবার স্কিন ক্যানসার রোধে সূর্যের ক্ষতিকারক রশ্মি থেকে বাচতে প্রতিরক্ষামূলক পোশাক পরছে।
 
ধাপ-২ : দ্রুত সতর্কতাই সাফল্যের চাবিকাঠি
ক্যানসারের জটিলতাগুলো আমাদের বোঝায় যে আমাদের স্বাস্থ্যের সর্বোচ্চ যত্ন নিলেও ক্যানসার হতে পারে। আমাদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার হওয়ার প্রবণতাও বাড়তে পারে; কিন্তু ক্যানসার অন্য সব অসুখের মতোই যত তাড়াতাড়ি নির্ণয় করা যাবে তত সহজেই তার চিকিৎসা সম্ভব হবে। সহজ ও কার্যকর স্কৃনিং পদ্ধতি আবিষ্কার হয়েছে যা
বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে :
* স্তন ক্যানসার নির্ণয়ে ম্যামোগ্রাম সর্বোচ্চ মানের পদ্ধতি। ৪০ বছর বা ততোধিক বয়সী মহিলাদের (বা তার চেয়ে কম বয়সী যদি পরিবারে ক্যানসারের কোনো পূর্ববর্তী ঘটনা থাকে) প্রতি ১-২ বছরে ম্যামোগ্রাম করানোর কথা বলা হয়ে থাকে।

* ফুসফুসের এক্স-রে- এরই মধ্যে বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার একটি অংশ- যা ফুসফুসের ক্যানসার নির্ণয় এবং যক্ষ্মা নির্ণয়ে সহায়তা করে।

* সার্ভিকাল ক্যানসার সৃষ্টিকারী ভাইরাস স্কৃনিং-এর জন্য একটি প্যাপ স্মিয়ার সঙ্গে এইচপিভি ডিএনএ টেস্ট করা হয়ে থাকে। ৩০-৬৫ বছর বয়সী মহিলাদের প্রতি পাচ বছরে একবার এই পরীক্ষা করানো উচিত।

* কোলনস্কপি কোলন এবং মলদ্বারের ক্যানসার নির্ণয়ে করা হয়ে থাকে যা ৪৫ বছর বা ততোধিক বয়সী নারী-পুরুষ উভয়েরই করানো উচিত।

* প্রোস্টেট ক্যানসার নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে পিএসএ লেভেল নির্ণয় ও মালটি পেরামেট্রিক এমআরআই ইত্যাদি। এটি পঞ্চাশোর্ধ্ব পুরুষদের করানোর জন্য বলা হয়ে থাকে।

এ ছাড়া এর মাধ্যমে আপনি আপনার শরীর সম্পর্কে সচেতন হতে পারেন। যদি আপনি আপনার শরীরে কোনো অস্বাভাবিকতা, যেমন- অস্বাভাবিক বৃদ্ধি, অস্বাভাবিক বড় ফোড়া বা দাগ বা আপনার অন্ত্রের চোখে পড়ার মতো কোনো পরিবর্তন দেখতে পান তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।
 
ধাপ-৩ : চিকিৎসার এক বিশাল জগৎ
যদিও ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা প্রতি বছরই বৃদ্ধি পাচ্ছে; কিন্তু সেই সঙ্গে ক্যানসার থেকে আরোগ্য পাওয়া লোকদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে ক্যানসার শনাক্তকরণে পারদর্শিতা বৃদ্ধি এবং নতুন নতুন চিকিৎসার আবির্ভাব যা আগে ছিল না। বর্তমান সময়ে শুরুতেই যদি ক্যানসার শনাক্ত করা যায় তাহলে সেটি খুব সহজেই সফলভাবে চিকিৎসা করা যায়। আরো পরিষ্কারভাবে বলতে গেলে, বিগত ২০ বছরে স্তন ক্যানসারের আক্রান্ত রোগীদের সংখ্যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে (১৯৯৬ সালে প্রতি ১০০,০০০ নারীর মধ্যে স্তন ক্যানসারে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২৯.৪ যা ২০১৬ সালে ২০ জনে নেমে এসেছে)। মেটাস্ট্যাটিক লাঙ্গ ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে আগে কেবল ৫%-এর ক্ষেত্রে আরো পাচ বছরের মতো বেচে থাকার সম্ভাবনা থাকত, যা বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫-২০%-এ দাড়িয়েছে। এ সব সম্ভব হয়েছে শুধু ইমিউন চেকপয়েন্ট থেরাপির মাধ্যমে।  

বিগত সময়গুলোতে কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলোই রোগীদের মধ্যে ভয় এবং উদ্বেগের মূল কারণ ছিল, কেননা এগুলোর ফলে রোগীদের জীবনমান অনেকটাই হ্রাস পেত; কিন্তু বর্তমানে উন্নতমানের কেমোথেরাপি অনেকটাই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত। বর্তমানে টার্গেটেড থেরাপি ব্যবহার করা হয়, যা শুধু ক্যানসার কোষগুলোকে আক্রমণ করে। এদের কার্যকারিতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার পরিমাণও কমে যাবে। এমনকি এই টার্গেটেড থেরাপি অনেক জটিল ক্যানসারের ক্ষেত্রেও অত্যন্ত কার্যকর। যেমন- প্রোস্টেট ক্যানসার অথবা সারকোমা ক্যানসার। লকেলাইজড ও প্রাথমিক পর্যায় প্রোস্টেট ক্যানসারের ক্ষেত্রে হাইফু (High-intensity focused ultrasound (HIFU)  রক্তপাতহীন, প্রায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত সার্জারি/প্রসিডিউর অনেকটা কার্যকর প্রমাণিত হচ্ছে। যে চিকিৎসা পদ্ধতির প্রধান গবেষক লন্ডনের ইমপেরিয়াল কলেজের ইউরোলজির প্রধান, বাংলাদেশের সিলেটের কৃতী সন্তান অধ্যাপক হাসিম উদ্দিন আহমদ। (Professor and Chair of Urology, Imperial College London). 
HIFU might be suitable for you if your cancer hasn’t spread outside your prostate (localised prostate cancer) and has a low or medium risk of spreading.

আপনি পৃথিবীর যে প্রান্তেই বাস করেন, ধনী বা গরিব যাই হয়ে থাকেন, কোনো উচ্চ পদের কর্মকর্তা বা শরণার্থী যেটিই হয়ে থাকেন না কেন, ক্যানসার সবার জন্যই সমানভাবে একটি বিশাল আকারের হুমকি। বিশ্ব ক্যানসার দিবস এমনই একটি দিন যা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে আমরা এখনো আমাদের মধ্যে আশার আলো বাচিয়ে রাখতে পারি এবং সচেতনতা সৃষ্টি, সজাগ থাকা এবং চিকিৎসা নিয়ে তৎপর থাকার মাধ্যমে যখন ক্যানসার যথাসময়ে শনাক্ত করা হয় এবং সেই সঙ্গে সুষ্ঠু যত্ন ও সেবার দ্বারা সব স্বপ্নই জীবিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ আশার আলো সহজেই ছোয়া যাবে। আপনার পরিচয় যাই হোক, বিশ্ব ক্যানসার দিবসে একটিই নীতিবাক্য হবে, ‘আমি পারি এবং আমি পারব’ এবং সম্মিলিতভাবে ক্যানসারমুক্ত একটি জগৎ তৈরিতে এটিই আমাদের যাত্রাপথের সঙ্গী হবে।’

‘হে আল্লাহ অবশ্যই আমি আপনার নিকট ধবল, উন্মাদ, কুষ্ঠরোগ এবং (ক্যানসারসহ) সব ধরনের মারাত্মক ব্যাধি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।’

সংগ্রহীতা ও সংকলিত : উইকিপিডিয়া, বাসস, দৈনিক প্রথম আলো, বামরুনগ্রাড ইন্টারন্যাশনাল হসপিটাল ও সামিতিভেজ হসপিটাল ব্যাংককের সৌজন্যে।

লেখক- 


ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী : মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT