ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন বিষয়ক কর্মশালা মঙ্গলবার সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল এই কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করে।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ.কে.এম আব্দুল হাকিম।
জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মোঃ আব্দুস সবুর।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মোঃ গাওছাল আজম। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব (উপসচিব) মো. আব্দুস সবুর। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আবু সাঈদ মো. গাওছাল আজম।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা তথ্য অফিসার দীপক চন্দ্র দাস। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ.কে.এম আব্দুল হাকিম বলেন, বর্তমান সময়ে দ্রæত সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে অপবাদ চলে আসে। দীর্ঘদিনের অর্জন বিসর্জন হয়ে যায়। তাই দ্রæত করতে গিয়ে বস্তুনিষ্ঠতা হারালে চলবে না। এ পেশার অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, সাংবাদিকতা হতে হবে অবশ্যই বস্তুনিষ্ঠ । নইলে এতে সামাজিক অনেক প্রভাব পড়বে। এতে সবারই ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। তাই সাংবাদিককদেরকে এক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ না বলে সাংবাদিককদের অনেক অধিকার আদায় হয় না। তাই অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। বিভাজন থেকে বের হতে হবে। অনেকেই বলে থাকেন অপসাংবাদিকদের কেন জেল-জরিমানা দেয়া হয় না। আসলে সাংবাদিকতা বড় পেশা। তাকে ধমক দিলেই যথেষ্ট। জেল-জরিমানা করলে ঠিক হবে এমন না। আলোচনা সভা শেষে প্রশিক্ষনার্থী হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন প্রধান অতিথি।
কর্মশালা ও সেমিনারে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ৪৫ জন অংশ গ্রহন করেন।