কুমিল্লার দাউদকান্দিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক ব্যবসায়ী পরিবারকে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগে অভিযুক্ত করার ঘটনা ঘটেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী শাহাদাৎ হোসেন ও তাঁর স্ত্রী সানজিদা হক বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বেলা পৌনে ১২ টায় দাউদকান্দি প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেন, ২০১৮ সালে তারা বিটেশ্বর ইউনিয়নের চন্দ্রশেখরদি গ্রামে ৭৭ শতক পুকুর বাড়িসহ জমি ক্রয় করেছিলেন। এই জমি নিয়ে স্থানীয় জুলফিকার আলীর সঙ্গে দেওয়ানি মামলা চলছিল। আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও জুলফিকার আলী আদালতের নির্দেশ অমান্য করে স্থানীয় মাস্তানদের সহায়তায় স্থায়ীভাবে ভবন নির্মাণ শুরু করলে বাধা দেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলা হয়।
সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল জুলফিকার আলী ও তার চাচাদের মধ্যে। শাহাদাৎ হোসেনের কাছে ২০১৮ সালে তাঁর এক চাচি ৭৭ শতক জমি পাওয়ার অব এ্যাটর্নির মাধ্যমে হস্তান্তর করেছিলেন। মামলাসহ আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও সম্প্রতি জুলফিকার আলী ভবন নির্মাণ শুরু করলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়রা জানান, ব্যক্তিগত ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়কে চাঁদাবাজি হিসেবে প্রচার করা সমাজে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। জুলফিকার আলী বলেন, “আমরা আমাদের জায়গায় বাড়ি নির্মাণ করতে গিয়ে বাধার সম্মুখীন হচ্ছি। সম্প্রতি শাহাদাৎ স্থানীয় ভাড়া করা লোক দিয়ে আমাদের হুমকি ও বাধা দিয়েছে।”
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আবদুল হালিম জানান, “জমি বিরোধের ঘটনা ঘটেছে, তবে চাঁদাবাজির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।”