রাঙ্গামাটি রাজস্থলীতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভুগছে, যা স্থানীয় জনজীবন, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অকটেন ডিজেলের দোকানে দীর্ঘ লাইন, পরিবহন খাতে স্থবিরতা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
অপর দিকে রাজস্থলী উপজেলায় কোনো ফিলিং স্টেশন নেই। যার ফলে খুচরা বিক্রেতারাও পড়েছেন তেলের সংকটে। সরবরাহ বন্ধ থাকায় এ উপজেলাতেও দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের সংকট।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে মোটরসাইকেল, সিএনজি চালিত অটোরিক্সা, ট্রাক ও বাস চালকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পাশ্ববর্তী উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা ও কাপ্তাই নতুন বাজারের পেট্রেোল পাম্পে তেল না থাকায় গ্রাহকদের খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তবে গত ১০ টার দিন ধরে রাজস্থলী উপজেলায়, মেসাস খান এন্ট্রারপ্রাইজ, অজয় ষ্টোর, সুমন, রানা পেট্রোলিয়াম, বিপ্লব পেট্রোলিয়াম, কবির, মিনহাজ সহ বাঙ্গালহালিয়া বাজারে অনেক অকটেনের দোকান বন্ধ রয়েছে।
এই সংকটের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবহন খাত ও কৃষকগন। ডিজেল না থাকায় ফারুয়া, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটিতে যাবার উদ্যেশে যানবাহন চলাচল কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে পণ্য সরবরাহে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিবহন ব্যয় বাড়লে পণ্যের দামও বাড়বে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে।
মংচি ওয়েল এর মালিক আচিংহ্লা মারমা ও আশা ওয়েলের মালিক পুলক চৌধুরী জানান, রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে প্রচুর পরিমাণ অকটেন ও ডিজেল ছিল। কিন্তু ঈদের পর বান্দরবানে
প্রচুর পর্যটক যাওয়ার সময় তাদের গাড়িতে তেল দেওয়ার কারণে কিছুটা অকটেন ও ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে স্থানীয়দের ওপর।এ ভাবে চলতে থাকলে অদুর ভবিষৎ রাজস্থলীতে প্রভাব পড়বে ব্যবসা ও যানবাহন চলাচলে।।