পার্লামেন্ট ইলেকশনের পর দেশব্যাপী শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে উপজেলা পরিষদ ইলেকশন। ইলেকশন কমিশন জানান দিতে না দিতেই নড়েচড়ে বসেছে স্ব স্ব এলাকার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ভাইসচেয়ারম্যান প্রার্থীরা।
উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বেজে উঠেছে বরিশালের গৌরনদী উপজেলায়। চায়ের ষ্টল থেকে রাজনৈতিক অঙ্গে চলছে ব্যাপক আলোচনা। আসন্ন গৌরনদী উপজেলা পরিষদ ইলেকশন ঘিরে উপজেলায় নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে ইলেকশনের হাওয়া বইছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা ও ক্যাম্পেইন। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম হলেন রফিকুল ইসলাম কাজল । যিনি বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য। ছাত্রজীবন থেকেই কাজল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
নব্বই ও পাচ আগস্ট ২৪ এর ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানে রাজপথে সাহসী ভূমিকা রাখেন তিনি।
সারাদেশের ন্যায় বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এর নিজ এলাকায়ও বেশ জোরেশোরে বইছে ইলেকশনের হাওয়া। এই আসনে রয়েছে দুটি উপজেলা। একটি আগৈলঝাড়া ও অপরটি গৌরনদী উপজেলা। আর গৌরনদী উপজেলারই বাসিন্দা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিজেই। ফলে এ আসনে সর্বজনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য কর্মী বান্ধব নেতাই হবেন আগামী উপজেলা পরিষদ ইলেকশনের চেয়ারম্যান প্রার্থী। এখানে একাধিক প্রার্থী থাকলেও দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বারবার কারাবরনারী ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত নেতা হিসেবে ভদ্র নম্র বিনয়ী মার্জিত কর্মী বান্ধব গণমানুষের হৃদয়ের স্পন্দন উপজেলাবাসীর আস্থার বাতিঘর রফিকুল ইসলাম কাজল। পাশাপাশি প্রিয় নেতা মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনেরও সুদৃষ্টি রয়েছে তারই দিকে বলে জানান স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও দলীয় একাধিক সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠন হওয়ার সময় রফিকুল ইসলাম কাজল ছিলেন সদস্য সচিব পদে একজন প্রার্থী। নেতা জহির উদ্দিন স্বপন ও দলের প্রতি আনুগত্য থাকায় তিনি কাক্সিক্ষত পদ না পেয়েও আওয়ামী সরকার পতনের আন্দোলনে কাজলের ভূমিকা ছিলো প্রশংসনীয়। নিজ এলাকা গৌরনদী ও বরিশালের রাজপথে নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতেন রফিকুল ইসলাম কাজল। করনা কালে দুস্থ মানুষের পাশে তার ভুমিকা ছিল অত্যন্ত মানবিক। নেতাকর্মীদের সুখ দুঃখে পাশে থাকা একমাত্র রফিকুল ইসলাম কাজলেরই দলের ক্ষতি কিংবা বদনাম হয় এমন কোনো কর্মকান্ডে জড়িত হন নাই। গৌরনদী উপজেলায় আপাদমস্তক ক্লিন ইমেজের একমাত্র বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম কাজল যাহাতে গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন এজন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি উপজেলার সাধারণ মানুষেরও তার প্রতি চাপ রয়েছে।
গৌরনদী উপজেলা বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, গৌরনদী উপজেলা পরিষদ ইলেকশনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে রফিকুল ইসলাম কাজলের বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। বিএনপি নেতাকর্মী সহ উপজেলাবাসীর আস্থা ভাজন ব্যাক্তি হচ্ছে রফিকুল ইসলাম কাজল।
তারা আরো বলেন, উপজেলাবাসীর খেদমত করা ও দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা একমাত্র নেতাই হচ্ছেন রফিকুল ইসলাম কাজল। তিনি দলীয় মনোনয়নে পেয়ে নির্বাচিত হলে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে স্থানীয় বিএনপি। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড বেগবান হওয়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের ভাগ্যন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে রফিকুল ইসলাম কাজল বলেন, আমি সারাজীবন জনতার কাতারে থেকে জনগণের ভাগ্যান্নয়নে কাজ করেছি। রাজনৈতিক জীবনে কোনো দিন দলকে ফাকি দিয়ে রাজনীতি করি নাই বা পাওয়া না পাওয়ার হিসাব করি নাই। নিজ এলাকায় অবস্থান করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলীয় সব কর্মসূচী বাস্তবায়ন করেছি। নেতাকর্মীদের ফেলে অন্য কোথাও অবস্থান করিনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাননীয় মন্ত্রী জনাব জহির উদ্দিন স্বপন সাহেব আমার অভিভাবক রাজনৈতিক জীবনে কখনও তার কথার বাহিরে যাইনি। আশা করি আমার অতীত কর্মকান্ড বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়নয়নের বিষয়ে আমার উপর আস্থা রাখবেন বলে আমার বিশ্বাস।