উপজেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা ও এন্টিভেনম না থাকায় সাপে কাটা রোগীদের জেলা শহরে নিতে গিয়ে ঝরছে প্রাণ।
দেশের গ্রামাঞ্চলে সাপে কাটার ঘটনা বেশি হলেও উপজেলা পর্যায়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা না থাকায় রোগীরা চরম ঝুঁকিতে পড়ছেন। গৌরনদী উপজেলায় গত কয়েক বছরে অন্তত পাঁচজন সাপে কাটা রোগী উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসা না পেয়ে জেলা শহরে নেওয়ার পথে মারা গেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাপে কাটার পর প্রথমে ঝাড়ফুঁকের ওপর নির্ভর করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে রোগীকে উপজেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে বিষধর সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা ব্যবস্থা ও প্রয়োজনীয় এন্টিভেনম না থাকায় তাদের বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অনেক ক্ষেত্রে পথেই রোগীর মৃত্যু ঘটে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল থেকে চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৬০ জন সাপে কাটা রোগী হাসপাতালে এলেও বিষধর সাপে আক্রান্তদের জেলা হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, উপজেলা পর্যায়ে সাপে কাটা রোগীর চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে এন্টিভেনম সংকটের কারণে তা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। এ সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া।