ঢাকা | শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আনোয়ারায় ডিজেল সংকটে জেলেরা বিপাকে

author
আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৬ এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩২
ad003
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের জেরে তৈরি হওয়া বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের  প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা  মৎস্য খাতে।  ডিজেল সংকটে উপকূল ও নদীতীরবর্তী এলাকার   জেলেরা  এখন কর্মহীন। জাল-নৌকা প্রস্তুত থাকলেও তেলের অভাবে সাগরে বা নদীতে যেতে পারছেন না মৎস্যজীবীরা।

এরমধ্যে আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২ মাসের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সাগরে মাছ শিকার। অপরদিকে যে কয়েকদিন খোলা আছে তাতেও জ্বালানী সংকটে মাছ শিকারে যেতে পারচ্ছেন না জেলেরা। এতে করে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপকূলীয় পেশাজীবী জেলে পরিবারের মাঝে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ-উৎকন্ঠা। বেকার হয়ে পড়েছে এ এলাকার জেলেদের কাজে সহয়তা করা কর্মীরাও। জেলেদের চলমান এ সংকট মোকাবেলায় সরকারী সহায়তার দাবী জানিয়েছেন জেলেরা।

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে  আনোয়ারা উপজেলার পূর্বগহিরা, ফকিরহাট, ধলঘাট মৎস্যজীবী নৌকা ঘাটে বেঁধে।  কেউ-কেউ মাছ ধরার নৌকা-ট্রলার মেরামত কাজ করছে।জেলেরা জানান, পাম্পগুলোতে তেল নেই, আর খোলা বাজারে লিটারপ্রতি ১৭০-২০০ টাকায় তেল বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ জেলের সাধ্যের বাইরে। সাগরে মাছ আহরণ ইতোমধ্যে ৮০-৯০ শতাংশ কমে গেছে। মৎস্য আড়তগুলোতে মাছের সরবরাহ প্রায় বন্ধ।ফলে  বরফকল, পরিবহন ও আড়ত শ্রমিকরাও কাজ হারাচ্ছে।

আনোয়ারার রায়পুর গহিরার এলাকার মৎস্যজীবি নুরুল আবছার বলেন,  ঈদের পর থেকে একদিনও মাছ শিকার করতে পারিনি।  এরমধ্যে ১৫ এপ্রিল থেকে ২ মাসের জন্য বন্ধ হয়ে যাচ্ছে মাছ ধরা।  

আনোয়ারা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রাশিদুল হক  বলেছেন, ‘তেল সংকটের কারণে জেলেরা সাগরে মাছ শিকার করতে পাচ্ছেন না।  নিবন্ধিত জেলেদের সহায়তা প্রদান করা হবে এবং মাছ ধরার কাজে নিয়োজিত অনিবন্ধিত জেলেদের সরকারি সহয়তা প্রদানের আওয়াতায় আনা হবে।’

আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন  বলেন, ‘মাছ শিকার সচল রাখার বিষয় নিয়ে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন কর্মকর্তাসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT