টেকনাফে অপহরণ, মাদক, মানবপাচার এবং আরাকান আর্মির আধিপত্যে সাধারণ মানুষের বন্দিত্ব, খুন-গুম সহ ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির প্রতিবাদে ছাত্র-জনতার উদ্যোগে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। টেকনাফ বাস স্টেশন মসজিদের সামনে আসরের নামাজের পর এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এই সংকট টেকনাফকে কার্যত একটি “মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে, যেখানে সাধারণ মানুষের ন্যূনতম নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাপন সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ছাত্র-জনতা রাষ্ট্রের প্রতি জরুরি ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে।
তাদের স্পষ্ট বক্তব্য হল টেকনাফকে অবিলম্বে সন্ত্রাস, অপহরণ ও মাদক সিন্ডিকেটমুক্ত ঘোষণা করে যৌথ বাহিনীর স্থায়ী অভিযান পরিচালনা করতে হবে।আরাকান আর্মির যেকোনো অনুপ্রবেশ, আধিপত্য ও নাশকতা নির্মূলে সীমান্তে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অপহরণ, খুন, গুম ও মানবপাচারের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃশ্যমান বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় আধুনিক নজরদারি (ড্রোন/টেকনোলজি) চালু করে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। টেকনাফবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে ছাত্র-জনতা বাধ্য হবে।
ছাত্র-জনতা আরও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিতে চায় যে, এই সংকট আর সহ্যের সীমায় নেই। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে এর দায় সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।
পরিশেষে এই মানবিক সংকট ও ছাত্র-জনতার ন্যায্য দাবি তুলে ধরতে সহযোগিতা করার জন্য সকল গণমাধ্যমকর্মী ও সংবাদ মাধ্যমের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ছাত্র জনতা।