ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বস্তির বৃষ্টিতে বিজয়নগরে সড়কে অস্বস্তিকর জলাবদ্ধতা

author
বিজয়নগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১ মে, ২০২৬ সকাল ১০:১৯
ad003
স্বস্তির বৃষ্টিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিজয়নগর উপজেলায়  বিভিন্ন এলাকায় সড়কে জলাবদ্ধতা  সূষ্টিতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ ও চলাচলের যাএীদের। প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পোহাতে হচ্ছে সড়কের চলাচলের  যাএীদের সীমাহীন ভাবে।

আজ শুক্রবার (০১ মে) উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সকাল থেকে বিকাল পযন্ত সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার রাস্তার বিভিন্ন স্থানে উঠে গেছে বিটুমিন, তৈরি হয়েছে ছোট-বড় হাজার হাজার গর্ত। কোথাও কোথাও পিচ সরে গিয়ে ঢিবি হয়ে আছে, অনেক জায়গায় সড়ক ডেবে গেছে। এমনকি কিছু জায়গা হয়েছে ঢেউয়ের মতো। চলাচল স্বাভাবিক রাখতে কিছু স্থানে ইট বিছিয়ে সাময়িক সলিউশন নেওয়া হলেও তা কোনোভাবেই স্থায়ী সমাধান নয়। বরং এতে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। 

সড়কের পিচ, ইট, পাথর উঠে  বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য পানির জমাত হলেই  একদম পুকুরের মতো পরিনত হয়। এ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে ছোট-বড় বিভিন্ন যানবাহন।  এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে  পরিবহন মালিক, যাত্রী ও দুই  উপজেলার লাখো লাখো মানুষ। এই সড়ক সংস্কারের অভাবে হেঁটে চলাচলও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। সড়কে সৃষ্ট হওয়া গর্তে প্রায়ই আটকে যায় গাড়ি। এতে করে যাত্রীরা যেমন পড়ে বিপাকে তেমনি ভাবে নষ্ট হচ্ছে গাড়ির যন্ত্রাংশ।বিজয়নগর উপজেলার সঙ্গে আখাউড়া উপজেলার সংযোগের সড়কের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে বিজয়নগর অংশের  প্রায় ২২ কিলোমিটার সড়কের বেহালদশা।গত ২৮ তারিখে কালবৈশাখীর ঝড়ে ও  প্রচুর বৃষ্টি হওয়ায় এলাকার  অধিকাংশ ড্রেন তলিয়ে গিয়ে পানি উপচে রাস্তায় উঠে আসে, ফলে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে উপজেলা বাসীর।

চম্পকনগরে বাসিন্দা  মো: তুফাজ্জল হোসেন যায়যায়দিন প্রতিনিধিকে বলেন, গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে উপজেলায় বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ রাস্তায় পানি জমে যায়।তবে আখাউড়া - চান্দুরা সড়কের অবস্থা খুবই বেহাল অবস্থার মধ্যে আছে।যদিও রাস্তার কাজে বহু দিন আগেই টেন্ডার হয়েছে কিন্তু ঠিক ভাবে রাস্তার কাজ না করার জন্যই আজ চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে পুরো এলাকায় রাস্তা গুলো। বেশ কয়েকটি সড়কে সামান্য বৃষ্টি হলেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন ধরে ড্রেনেজ ব্যবস্থার অব্যবস্থাপনার কারণে বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। ফলে অল্প বৃষ্টিতেই সড়কে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন রিকশা, অটোরিকশা চালকসহ পথচারীরা। 

এ বিযয়ে ব্যবসায়ীরাও জানান, রাস্তার ওপর পানি উঠে যাওয়ায় ক্রেতাদের আসা কমে যায় এবং অনেক দোকানে পানি ঢুকে পড়ার আশঙ্কা থাকে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা। 

তাছাড়া স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উপজেলার  কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।সড়ক, ড্রেন সংস্কার ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হলে এ ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT