ঢাকা | মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেদখলমুক্ত খালে পুনঃখনন শুরু, স্বস্তির আশা কটিয়াদীর কৃষকদের

author
কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৯ মে, ২০২৬ সকাল ৫:১৯
ad003
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুরী ইউনিয়নের ঝিড়ারপাড়-বাহেরচর খালের বিভিন্ন অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেদখলে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন স্থানীয় কৃষকরা। কৃষিকাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ খালটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই জমিতে পানি জমে ফসল নষ্ট হতো। পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে কৃষকদের।

অবশেষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের উদ্যোগে বেদখলে থাকা অংশ উদ্ধার করে খালটির পুনঃখনন কাজ শুরু হয়েছে। সোমবার (১৮ মে) দুপুরে লোহাজুরী ইউনিয়নের স্থানীয় জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন কর্মসূচির আওতায় ঝিড়ারপাড় থেকে বাহেরচর হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ পর্যন্ত খাল পুনঃখননের শুভ উদ্বোধন করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এ খাল পুনঃখনন করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, খালটি পুনরায় সচল হলে জলাবদ্ধতা কমবে, কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে এবং কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হবে।

লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. সাইফুল মতিন জুয়েলের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান কাঞ্চন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম জায়দুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক চাঁন মিয়া মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খলিলুর রহমান, লোহাজুরী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোবারক হোসেন সরকারসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দিন বলেন, “শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের কৃষি ও অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আবারও এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি খালে মাছ চাষ ও খালের দুই পাশে বৃক্ষরোপণের সুযোগও তৈরি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “সরকারি কোনো খাল দখল করা যাবে না। কৃষকদের বাঁচাতে হবে। খাল খননের মাধ্যমে পরিবেশ, প্রকৃতি ও কৃষি—সব ক্ষেত্রেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।”
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT