বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে নীলফামারীতে আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও অনুষ্ঠিত প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে (২০ মে) নীলফামারী শিল্পকলা অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এই অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিলো জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও জেলা শিশু একাডেমি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্রের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা শিল্পকলা একাডেমির কালচারাল অফিসার নুঝাত তাবাসসুম রিমু। বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ, জেলা বিএনপির আহবায়ক মীর সেলিম ফারুক, জেলা শিল্পকলা একাডেমির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা হক প্রধান বাচ্চু এবং আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন নীলফামারী সরকারী মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক জুয়েল মিয়া, সৈয়দপুরের সরগম সংগিত বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জান্নাতুল ইসলাম কবির।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তা হিসেবে ছিলেন জেলা মহিলাদলের সভানেত্রী তাসমিন ফৌজিয়া ওপেল, নীলফামারী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র তাসফিক মাশরুর ও নীলফামারী সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী আতিকা রহমান সিনহা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের অবদান অনস্বীকার্য। বাংলা সাহিত্যে ও কর্মে দুই কবির অবদান ভোলার মত নয়। আমরা তাদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি। আজও তাদের লিখা আমাদের পাথেয় হিসেবে রয়েছে।
সভা শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমির শিল্পিরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। পরে সন্ধ্যায় জেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত রচণা, আবৃত্তি ও চিত্রাংকণ প্রতিযোগীতায় বিজয়ী ২৪জনের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন মারুফ খান ও রুবাইয়াৎ হোসেন হিয়া।