সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, বিআরটি প্রকল্প যারা নিয়েছিল তারা একটি ত্রুটিযুক্ত প্রকল্প নিয়েছিল। এই প্রকল্পটি বাস চলাচল বান্ধব ছিল না। প্রথম প্রস্তাব এই প্রকল্পে আরও ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যায় করলে সুফল পাওয়া যাবে। দ্বিতীয় প্রস্তাব হচ্ছে এই প্রকল্পটি ভেঙে অপসারণ করতে হবে। দুটি প্রস্তাবই পর্যালোচনা করে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি করেছি৷ সেই কমিটিতে পর্যালচনা চলছে, ঈদের পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে৷ রোববার বিকেলে গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার খাড়াজোড়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধ গণসচেতনতামূলক সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী। মন্ত্রী আরও বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে আরো ৫০০-৬০০ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রকল্পটি যদি চালু রাখতে পারি। তাহলে আমার মনে হয়েছে প্রকল্পটি উচ্ছেদ করার থেকে আরো বেশি কাজে লাগানো সম্ভব হবে। তবে যেটা যুক্তিযুক্ত এবং জনবান্ধব সেই সিদ্ধান্তই নেওয়া হবে৷ গণসচেতনতামূলক সভায় মন্ত্রী বলেন, আমরা যারা দায়িত্বে বসে আছি আমাদের তখনই ঈদ মনে হয় যখন শুনি ঘরমুখো মানুষ স্বস্তিতে বাড়ি ফিরেছে। সড়ক ফাঁকা হয়েছে। আজকের সভায় আমি উপস্থিত হতে পেরে আনন্দিত। আজকে পরিবহন সংশ্লিষ্ট আপনারা যারা এখানে উপস্থিত আছেন আপনাদের কাছে আমি একটি দাবী করে যাচ্ছি সেটি হলো এই ঈদ যাত্রায় হাজার হাজার মানুষ যাতে স্বস্তিতে নিরাপদে তাদের গন্তব্যে পৌঁছুতে পারে আমি সেই দাবী করে গেলাম। এই চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের এটাই একমাত্র সহজ মাধ্যম। আমরাও এই সড়ক দিয়েই যাই। এই হাজার হাজার মানুষ যাতে আপনাদের এই এলাকা নিরাপদে ভোগান্তিহীন ভাবে যাত্রা করতে পারে এই বিষয়টি নিশ্চিত করতে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেব। আপনারা সাধারণ মানুষ ও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যদি আমাদের জন্য এই কাজটা করেন, তাহলে আমরাও কথা দিচ্ছি আপনাদের দাবীগুলোও আমরা বাস্তবায়ন করব।গাজীপুর জেলা প্রশাসক মো: নূরুল করিম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, গাজীপুর ১ আসনের সংসদ সদস্য মোঃ মজিবুর রহমান, সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা, বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবীবুর রহমান, জিএমপি'র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তাহেরুল হক চৌহান, গাজীপুর পুলিশ সুপার মোঃ শরিফ উদ্দীন, হাইওয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি সভাপতি এম.এ বাতেন কার্যকরী, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মোঃ সাইফুল আলম মহাসচিব, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবীর খান।