ঈদের দিনে গোপালগঞ্জে বাস ও মটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের নারী-শিশুসহ ৫ জন নিহত ও ২৫ জন আহত হয়েছেন । আহত ২৫ জনকে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে । আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশংকাজনক । নিহতদের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এদের সবার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়। ঘটনার পরপর স্থানীয় এমপি, ডিসি ও এসপি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ক্রমেই বিপৎজনক হয়ে পড়েছে ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক। প্রায়ই প্রাণ ঝরছে এই মহাসড়কটিতে। মহাসড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো, ওভার টেকিং, ইজিবাইক চলাচল, সড়কের গাঁ জুড়ে অেবৈধ স্থাপনাসহ আরো বেশ কয়েকটি কারনে সড়ক দূর্ঘটনা ঘটেই চলেছে।আর এসব কারনেই ঈদের দিনও মহাসড়কে ঝরে গেলো ৫ টি প্রান।
বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের জেলা শহরের বেদগ্রাম এলাকায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা পিরোজপুর গামী দোলা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ঘটনাস্থলে পৌছালে বিপরীত দিক চিতলমারী থেকে আসা একটি মটর সাইকেলের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় বাসটি নিয়ন্ত্রন হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। ফলে ঘটনাস্থলে মটর সাইকেলে ২ আরোহী ও বাসের ২ যাত্রী নিহত হয়। এসময় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ নিহত আহতদের্ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আহত ৬ বছরের শিশুকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘেষেনা করেন।
নিহত ৫ জনের মধ্যে মটরসাইকেলের দুই আরোহী সহ ৩ জনের পরিচয় সনাক্ত করেছে পুলিশ। যাদের পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন-মটরসাইকেল আরোহী শয়ন ঢালী (২০), পিতা-সমেশ ঢালী, সাং-বড়বাড়িয়া, চিতলমারী, বাগেরহাট। সইব শেখ, পিতা-মাহাবুব শেখ, সাং-গোলা, চিতলমারী, বাগেরহাট এবং মোসাম্মত খাদিজা খাতুন, পিতা-আব্দুল খালেক, কলারদোয়ানিয়া, নাজিরপুর, পিরোজপুর।
ঈদের দিনে এধরনের দূর্ঘটনা কারোরই কাম্য নয়। যেসব কারনে সড়ক দূর্ঘটনা বেশী হচ্ছে তার অন্যতম কারণ হলো ওভার টেকিং ও বেশি গতিতে গাড়ি চালানো। আমরা এসব বিষয়ে কাজ করবো বলে জানিয়েছেন স্থানীয় এমপি ডাঃ কে. এম বাবর ও পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ।