ঢাকা | রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বারহাট্টায় ৭ বছরের শিশুকে গোয়ালঘরে নিয়ে নির্যাতনের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ

author
নেত্রকোণা প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬ সকাল ৮:৪১
ad003
নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের উড়াদিঘি গ্রামে সাত বছরের এক শিশুকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার বারহাট্টা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে দুপুর দেড়টা থেকে দুইটার মধ্যে শিশুটির মা বাড়ির পাশের ফসলের ক্ষেতে কাজ করতে যান। ওই সময় শিশুটি বাড়িতে একা ছিল। সুযোগ বুঝে একই গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে রাশিদ মিয়া শিশুটিকে তাদের বসতঘরের পাশের একটি গোয়ালঘরে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গোয়ালঘরের ভেতরে শিশুটির হাত-পা বেঁধে যৌন নিপীড়নের চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে শিশুটি চিৎকার শুরু করলে পাশের বাড়ির বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম শব্দ শুনতে পান। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিষয়টি টের পেয়ে অভিযুক্ত শিশুটির মুখ চেপে ধরে ঘটনাটি আড়াল করার চেষ্টা করে।

ঘটনার পর শিশুটির পরিবার স্থানীয়ভাবে বিচার চাইলেও কোনো সমাধানের চেষ্টা হলেও কাঙ্ক্ষিত বিচার না পাওয়ায় তারা গত ২৯ মে থানার দ্বারস্থ হন। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, একটি মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছে।

অভিযুক্ত রাশিদ মিয়া একই গ্রামের মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতেও অনুরূপ অভিযোগ শোনা গিয়েছিল। তবে সেসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত রাশিদ মিয়ার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে এমন ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, দোষীর দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT