ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যবসায়ীরা রাস্তায় ফেলে যায় কোরবানি পশুর চামড়া

author
স্টাফ রিপোর্টার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৯
ad003
 ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ন্যায্য মূল্য বিক্রি করতে না পেরে  কোরবানি পশুর চামড়া শহরের প্রধান সড়কের পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে যায় ব্যবসায়ীরা। এতে করে কাচা চামড়া পঁচে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা  গেছে, সরকারের পক্ষ থেকে চলতি মাসের ১৩ মে চামড়া খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে বৈঠক করে চামড়ার দাম নির্ধারণ করেন, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।  প্রতি বর্গফুট লবণযুক্ত চামড়ার দাম নির্ধারণ করা হয় ৬২ থেকে ৬৭ টাকা, যা গত বছর ছিল ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। কিন্তু ঢাকার বাইরে চামড়ার বাজারের চিত্র ভিন্ন। 

এ বছর সিন্ডিকেটের কারণে মৌসুমী ব্যাপারীরা উচ্চ মূল্যে চামড়া  কিনে। চামড়ার ন্যায্য মূল্য না  পেয়ে কোরবানীর পশুর কাঁচা চামড়া শহরের টি.এ.রোডসহ বিভিন্ন স্থানে স্তপাকারে  ফেলে চলে যায় ব্যবসায়ীরা। এতে শহরের পুরাতন কোর্ট রোড, পৌর সুপার মার্কেট, পূবালী ব্যাংক চত্বর, মঠের গোড়া এলাকায় ফেলে রাখা চামড়ার স্তপ থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

শহরে আসা পথচারী মোঃ ইমাম হোসেন বলেন, চামড়া বিক্রি করতে না পেরে রাস্তা ঘাটে ফেলে  যাওয়ায় জনগণের দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। চামড়ার পঁচা গন্ধে রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যায়না। পৌর কর্তৃপক্ষের উচিত এ ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা।

অপর পথচারী  মোঃ ইউসুফ আলী জানান, চামড়ার সিন্ডিকেটের কাছে, মৌসুমী ব্যবসায়ীরা পরাজিত হয়ে এবং ন্যায্যে দাম না পেয়ে চামড়াগুলো তারা রাস্তায় ফেলে  চলে গেছে। এতে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা পথে বসবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া জরুরী।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর সুপার মার্কেটের ব্যবসায়ী বিল্লাল ভূঁইয়া জানান, আমরা প্রতিবছরই এই মার্কেটের সামনে চামড়ার ব্যবসা বন্ধের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছি। কেউ  কর্ণপাত করেননি। এবার  পশুর চামড়া বিক্রি করতে না পেয়ে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা রাস্তার উপরই চামড়া ফেলে চলে গেছে।  চামড়ার পচা গন্ধে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে গেছে।

কুদ্দুস মিয়া নামে অপর একজন ব্যবসায়ী জানান, সন্ধ্যার পর থেকে মৌসুমী ব্যাপারীরা চামড়া নিয়ে পুরাতন কোর্ট রোড, মঠের গোড়া, পৌর সুপার মার্কেটের সামনে এসে জড়ো হয়। মধ্যরাত পর্যন্ত তারা চামড়া বিক্রির জন্য রাস্তার পাশে বসে ছিল। তবে তবে কাঙ্খিত ত্রেতা না  পেয়ে চামড়া গুলো রাস্তার পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ফেলে রেখে চলে গেছে তারা।
এ ব্যাপারে পৌর প্রশাসক মোঃ শরিফুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে একাধিক বার যোগাযোগ করার পরও তিনি ফোন  ধরেননি।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোঃ আবুসাঈদের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি। যার দরুন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT