উখিয়ায় বিজিবি’র অভিযানে ৬০,০০০ (ষাট হাজার) পিস ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক পাচারকারী আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামীগণ কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন এফডিএমএন ক্যাম্পের সদস্য আমির হোসেন এর ছেলে কেফায়েত উল্লাহ (৩০) এবং ক্যারেঙ্গাঘোনা গ্রামের মৌলভী রফিকের ছেলে হোবায়েত (১৮)
শুক্রবার (০৫ জুন) উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম, জি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আনুমানিক ৭.৫০ ঘটিকায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধীনস্থ হোয়াইক্যং বিওপি’র একটি বিশেষ টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্ত পিলার বিআরএম-১৮ এবং বিওপি হতে আনুমানিক ০১ কিঃ মিঃ দক্ষিণ দিকে ক্যারেঙ্গা ঘোনা নামক স্থানে অবস্থান করে। আনুমানিক ৮ টায় ০২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তি মায়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল তাদেরকে চ্যালেঞ্জ করে। উক্ত চোরাকারবারীর দল বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গ্রামের দিকে দৌঁড়াতে থাকে। পরবর্তীতে চোরাকারবারীগণ পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে বিজিবি টহল দল ০২ জন চোরাকারবারী (১) কেফায়েত উল্লাহ (৩০), পিতা-আমির হোসেন, মাতা-দিলদার বেগম, এফডিএমএন ক্যাম্প কেরামতলী চাকমার কুল (বটতলা), ব্লক-২১, বি-৩ এবং (২) হোবায়েত (১৮), পিতা-মৌলভী রফিক, গ্রাম-ক্যারেঙ্গাঘোনা, পোষ্ট-হোয়াইক্যং, থানা-টেকনাফ ও জেলা-কক্সবাজারকে আটক করে। আটককৃত ব্যক্তিদের তল্লাশি করে তাদের নিকট হতে কালো কাপড় দিয়ে পেঁচানো ০২ টি পোটলার ভিতর হতে ৬০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ইয়াবা মায়ানমার সীমান্ত হতে ক্রয় করতঃ অধিক দামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্য বহন করছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত ব্যক্তিদের বিশদভাবে তল্লাশী কার্যক্রম চালানো হলেও আর কোন অবৈধ মালামাল পাওয়া যায়নি।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবা ট্যাবলেট ও গ্রেফতারকৃত আসামীকে টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়েরের মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এদিকে, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্য অর্জন করে আসছে।