বাড়ীর সামনে ফুটবল মাঠের সদৃশ এক টুকরো জমিতে জার্মান ও বাংলাদেশী পতাকায়
ঘেরা। আর মাঠে সারি করে সাজানো হয়েছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপক ফুটবল টিমের
খোয়ারদের প্লেকার্ড। দিনের আলোতে বাসাশে পতপত করে উড়ে সেই পতাকা। আর
রাতের আধাঁরে বাহারি আলোতে ওই মাঠ হয়ে উঠে আরও মনোরম। সেই বাড়ীর সাজসজ্জা দেখতে এখন দিনে-রাতে হাজারো মানুষের ঢল।
বাড়িঘরে জার্মান পতাকার আদলে এঁকেছেন। ঘরের দেয়াল থেকে শুরু করে দরজা,
জানালা, টিনের চালায়ও আঁকা হয়েছে। হলুদ, লাল আর কালো রং দিয়ে আঁকা
নান্দনিক ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে প্রতিটি ঘরের দেয়াল। বাদ যায়নি বাড়িতে
লাগানো গাছপালাও। প্রত্যক গাছে রঙে রাঙিয়ে তোলা হয়েছে জার্মানি পতাকার
আদলে। বাড়ি সামনে বাগানে তৈরি করা হয়েছে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের এক মঞ্চ।
চারপাশে জার্মানি পতাকা আর ব্যানার, ফেস্টুন দিয়ে টাঙানো হয়েছে
খেলোযারদের ছবি। আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হয়েছে চারিদিক। দেখে মনে হবে
নাটোরের বুকে যেন এক টুকরো জার্মানি।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার কালিকাপুর মহল্লার জার্মান
প্রবাসী চিকিৎসক সাগর কস্তার বাড়ির চিত্র এটি। তিনি জার্মানিতে চিকিৎসক
হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। জার্মানিতে থাকলেও নিজ গ্রামের বাড়িতে ফুটিয়ে
তুলেছেন জার্মানি পতাকা। জার্মানি দেশকে ভালোবেসে পুরো বাড়িকে নান্দনিক
পতাকায় রুপ দিয়েছেন।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির প্রতিটি ঘর আঁকা হয়েছে জার্মানি পতাকায়।
টিনের চাল থেকে দেয়াল পর্যন্ত শোভা পাচ্ছে জার্মানের পতাকা। বাড়ির চারপাশ
জুড়ে টাঙানো হয়েছে ব্যানার, পোষ্টার ও ফেস্টুন। তার মাঝে মাঝে বাংলাদেশের
জাতীয় পতাকাও রাখা হয়েছে। বাগানের প্রতিটি গাছে হলুদ, লাল ও কালো রঙে
চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জার্মান পতাকা। রঙে রঙে রাঙিয়ে তোলা হয়েছে
প্রতিটি চিত্র। পুরো বাড়িতে আলোকসজ্জায় সাজানো হয়েছে। রাতের আঁধারে আলোর
ঝলমল করে পুরো বাড়িতে।
ওই বাড়ীর একমাত্র স্থায়ী সদস্য ডা. সাগরের মা কানন কস্তা জানান, আমার
ছেলে জার্মানিতে থাকে। সে জার্মানি দেশকে অনেক ভালোবাসে ও শ্রদ্ধা করে।
সেই থেকে এ আয়োজন করা। যেহুত সামনে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ। ছেলের ভালবাসা
প্রকাশে আমরা সবাই মিলে এ আয়োজন করিছি। পুরো বাড়িতে জার্মানি পতাকায়
রাঙিয়েছি। এ কারণে আমাদের বাড়িকে সবাই ' জার্মান বাড়ি' হিসেবে চিনে। আমার
সন্তানের জন্য সবাই প্রার্থনা করবেন, সে যেন জার্মানিতে ভালো থাকে।