বাংলাদেশের সরকার প্রধান তারেক রহমান ক্ষমতায় বসার পর তার প্রথম বিদেশ ভ্রমণ হিসাবে মালয়েশিয়াকে নির্ধারন করেছেন। আগামী ২১শে জুন তিনি মালয়েশিয়ায় অবতরণ করবে, দুইদিনের সফরে দুদেশের সম্পর্ক উন্নয়ন, ব্যাবসা বাণিজ্য, শিক্ষা, শ্রমিক প্রেরণ সহ অন্যান্য বিষয়ে আলচোনা করবেন মালয়েশিয়ার প্রধান মন্ত্রী ডাত সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের সাথে।
এদিকে মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। সফর সফল করতে বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠন, দলীর সংগঠন ও কমিউনিটি নেতারা সক্রিয়ভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করছে বলে যানা গেছে। বিমানবন্দর অভ্যর্থনা, সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণ এবং সফরসংক্রান্ত বিভিন্ন সমন্বয়মূলক কর্মকাণ্ডে প্রবাসীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে যুক্ত হবে বলে যানা গেছে।
কমিউনিটি নেতা ও মালয়েশিয়া যুব দলের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, প্রধান মিন্ত্রীর সফরকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মি সহ সাধারণ প্রবাসীরা তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি করেছে। প্রবাসে স্থানিয় আইনের প্রতি নজর রেখে দলীয় নেতৃবৃন্দ সহ অন্যান্যরা যেন সুশৃঙ্খল ভাবে সভা সমাবেশ করে তা উৎসাহিত করতে ইতিমধ্যে সভা ও আলোচনা নিয়মিত শুরু করা হয়েছে, মালয়েশিয়া সরকারের কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনি থাকলেও প্রবাসী মহলে নিরাপত্তাহীনতা ও জঙ্গিবাদের সম্ভাবনা ব্যেপারেও দলীয় ভাবে খোজ খবর রাখা হচ্ছে বলে জানান জসিম উদ্দিন।
মালয়েশিয়ায় অবস্থিত হাইকমিশনের কাউন্সেলর ফিরোজ রাব্বানির কাছে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, সার্বক্ষনিক মালয়েশিয়া সরকারের সাথে যগাযোগ রক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে, অনুষ্ঠানে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামালদিতে তিনি সকলকে একসাথে কাজ করার জন্য আহ্বান জানান। নিরাপত্তা বা বিশৃঙ্খলার ব্যাপারে তাদের নজরদারি আছে এবং তা বাংলাদেশে কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হচ্ছে। এ সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।