“মেধা-বিজ্ঞান-উদ্ভাবনের দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে যশোরের শার্শায় উপজেলা পর্যায়ে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী ধারণা প্রদর্শন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার বেলা ১১টার সময় উপজেলা অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্স ভবনে উপজেলা প্রশাসন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা কর্তৃক পরিচালিত এডুকেশনাল অরিয়েন্টেশন অ্যান্ড সাপোর্ট স্কিম (EESS)-এসইডিপি এর আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর-১ (শার্শা) আসনের সংসদ সদস্য জনাব মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) নিয়াজ মাখদুম।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।
প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারা, বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা, প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প এবং স্টার্টআপ ধারণা উপস্থাপন করেন। এসব প্রকল্পে পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষি উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও দৈনন্দিন সমস্যার প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তুলে ধরা হয়।
প্রধান অতিথি মুহাম্মাদ আজীজুর রহমান বলেন, “বর্তমান বিশ্বে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনই উন্নয়নের প্রধান চালিকাশক্তি। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে উৎসাহিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম দক্ষ, প্রযুক্তিনির্ভর ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি (এসিল্যান্ড) নিয়াজ মাখদুম বলেন, “শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, গবেষণার আগ্রহ এবং উদ্যোক্তা হওয়ার মানসিকতা তৈরিতে এ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প সম্পর্কে খোঁজখবর নেন অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবন ও গবেষণাকর্ম তুলে ধরার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিপক কুমার সাহা, উপজেলা মাধ্যমিক একাডেমিক সুপারভাইজার নুরুজ্জামান সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা।
এ আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানচর্চা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা সৃষ্টির যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা ভবিষ্যতে দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শার্শা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ
প্রথম স্থান অধিকার করে,শার্শা সরকারি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে,বেনাপোল মরিয়ম মেমোরিয়াল বালিকা বিদ্যালয় তৃতীয় স্থান অধিকার করে।