খুলনা মেট্রো পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান বিপিএম এর বিরুদ্ধে একটি কুচক্রীমহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ জনগণের দাবি, বর্তমান খুলনা মেট্রো পুলিশ কমিশনার খুলনার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ফলে মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্র কারবারি ও বিভিন্ন অপরাধী চক্র তাদের অবৈধ কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধাগ্রস্ত হওয়ায় পুলিশের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, খুলনা মেট্রো পুলিশ কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে অপরাধ দমন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর ও পেশাদার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
দিন-রাত মাঠপর্যায়ে তদারকি, বিভিন্ন থানার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং জনগণকে দ্রুত সেবা প্রদানের বিষয়ে তিনি নিয়মিত নির্দেশনা প্রদান করছেন।
সাধারণ মানুষের মতে, যখন পুলিশ সৎভাবে দায়িত্ব পালন করে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়, তখন একটি অসাধু চক্র বিভিন্ন গুজব, অপপ্রচার ও ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে সেই কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে।
বর্তমানে খুলনা মেট্রোতে একটি অপচেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে বলেও তারা মন্তব্য করেন।
অপরাধ দমনে বিশেষ নজরদারির অংশ হিসেবে খুলনা মেট্রোতে বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
মাদক ব্যবসায়ী, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে জনসাধারণের একটি অংশ মনে করেন, সদর থানা,সোনাডাঙা থানা ও লবণচোরা থানার অন্তর্গত কিছু এলাকায় অপরাধ দমনে আরও জোরালো পদক্ষেপ প্রয়োজন। এ বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, প্রাপ্ত সব অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হয় এবং অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
খুলনা মেট্রোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ টহল বৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত মোতায়েন, সাইবার মনিটরিং এবং সহিংসতা প্রতিরোধে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের ইতিবাচক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে এবং অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সত্য ও তথ্যভিত্তিক অবস্থান বজায় রাখবে।
স্থানীয়দের মতে, জনাব জাহিদুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশের প্রতি জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে তাঁর ভূমিকা প্রশংসিত হচ্ছে।
উল্লেখ্য, এই ধরনের প্রতিবেদন প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য-প্রমাণ ও একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের ভিত্তিতে দাবি উপস্থাপন করা উচিত। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে তাদের বক্তব্যও যুক্ত করা সাংবাদিকতার ভারসাম্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।