ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য-সাংস্কৃতিক অঙ্গনের পরিচিত মুখ, সাহিত্য একাডেমির সদস্য, অকাল প্রয়াত লেখক ও শিল্পী “সাইফুল ইসলাম রিপন অগ্রন্থিত রচনাবলি ও স্মারকগ্রন্থ” এর মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মোড়ক উন্মোচন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি ও গবেষক জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহ-সভাপতি কবি ও গবেষক মানিক রতন শর্মার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় মরহুমের কর্মময় জীবনের উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন মোহাম্মদ হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মানবর্দ্ধন পাল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক,মোসলেম উদ্দিন সাগর, উদীচী, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি জহিরুল ইসলাম স্বপন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আল-আমিন শাহিন, বিশিষ্ট নারী নেত্রী নন্দিতা গুহ, কবি ও গীতিকার মোঃ আব্দুর রহিম, কবি ও গল্পকার শিরিন আক্তার, সাহিত্য-সাংস্কৃতিক সংগঠক ফারুক আহমেদ ভূঁইয়া, কবি আমির হোসেন, সংস্কৃতিকর্মী জামিনুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়াসেল সিদ্দিকী, কবি রিপন দেবনাথ, নুসরাত জাহান বুশরা, সঞ্জয় কুমার সাহা, এস.এস শাহীন, মরহুমের বন্ধু ও প্রকাশিত প্রন্থের সম্পাদক আবুল খায়ের টিটু, একিউএম জাহিদুল বারী, মোঃ জসীম উদ্দিন, মোঃ মুশফিকুর রহমান, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ শাহেদুর রহমান, আরিফুর রহমান টিটু এবং মরহুমের স্ত্রী জারিন তাসনীম মনি।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নূরুল আমিন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সাইফুল ইসলাম রিপন ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংস্কৃতি কর্মী। একজন নির্লোভ মানুষ, নিরঅহংকারী ব্যক্তি ও প্রচারবিমুখ মানুষ। তার অকাল মৃত্যু সাহিত্য এবং সংস্কৃতিতে এক ধরনের শূন্যতা তৈরি করেছে।
বক্তারা বলেন, সাইফুল ইসলাম রিপন ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। তিনি ছড়া-কবিতা লিখতেন, আবৃত্তি করতেন, উপস্থাপনা করতেন, ছবি আঁকতেন, ভাস্কর্য তৈরি করতেন। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ডাক টিকিট, মুদ্রা ও দিয়াশলয়ের বাক্স সংগ্রহসহ নানা ধরনের জিনিস সংগ্রহ করা ছিলো তার অন্যতম নেশা।
বক্তারা বলেন, সাইফুল ইসলাম রিপনের অকাল মৃত্যুর পর তার বন্ধুরা তার স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য অগ্রন্থিত রচনাবলি ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন, যা প্রশংসার দাবি রাখে। এই কাজের মাধ্যমে প্রয়াত সাইফুল ইসলাম রিপন এবং তার বন্ধুরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।