ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বেনাপোল বন্দরে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগে আটক ৫০ কার্টন ভারতীয় পণ্য

author
বেনাপোল প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৫ জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮
ad003
বেনাপোল স্থলবন্দরে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা উদঘাটিত হয়েছে। বন্দরের ২৬ নম্বর শেড থেকে ঘোষণা বহির্ভূত বিপুল পরিমাণ উচ্চ শুল্কযুক্ত ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, ভারতের হুগলি ভিত্তিক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'কোহিনুর এক্সপোর্টার' ৩২৬ কার্টন কালার পেন্সিল ও ইরেজার আমদানির ঘোষণা দিয়ে পণ্যগুলো বাংলাদেশে পাঠায়। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছিল যশোরের 'শারি টিএস ইন্টারন্যাশনাল' এবং সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হিসেবে কাজ করছিল বেনাপোলের 'কাব্য এন্টারপ্রাইজ'। কাস্টমস তল্লাশিতে ঘোষিত পণ্যের আড়ালে অতিরিক্ত ৫০ কার্টন উচ্চমূল্যের ভারতীয় পণ্য পাওয়া যায়, যার মধ্যে ৩০ কার্টন দামি শাড়ি এবং ২০ কার্টন ফেসওয়াস ছিল। জব্দকৃত ফেসওয়াসের পরিমাণ ১,৬১২ কেজি এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য ও শুল্ক নির্ধারণের প্রক্রিয়া চলছে।

অভিযোগের তীর শেড ইনচার্জের দিকে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, এই অবৈধ বাণিজ্যের নেপথ্যে রয়েছেন বন্দরের ২৬ নম্বর শেডের ইনচার্জ রজব আলী। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকারক ও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টদের সাথে যোগসাজশ করে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে আসছেন। বৈধ পণ্যের আড়ালে অবৈধ পণ্য খালাসে তিনি মোটা অংকের ঘুষ গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শেড ইনচার্জ রজব আলীর অসংলগ্ন কথাবার্তা ও এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের উদ্রেক করেছে। একই শেডে কর্মরত আরেক ইনচার্জ আজু আলীর কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, এই অবৈধ চক্রের সাথে বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদেরও যোগসাজশ থাকতে পারে।

বেনাপোল বন্দরে কাস্টমসের এই অভিযানে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

এই ঘটনাটি বেনাপোল বন্দরের নিরাপত্তা ও তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে বড় ধরণের প্রশ্ন তুলেছে। 
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT