ঢাকা | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জলবদ্ধতায় ৫০ হাজার মন ধান নষ্ট:পানি নিষ্কাশনের উদ্যোগ জয়পুরহাট পৌরসভার

author
জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৭
ad003
জয়পুরহাট পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ফসলি জমি তলিয়ে থাকায় প্রায় দুই হাজার বিঘা জমির ইরি ধান নষ্ট। 

এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদারগঞ্জ, কবিরাজ পাড়া, আরাম নগর মাঠ, শহীদ জিয়া কলেজের পূর্ব পাশ পরিদর্শন করেন, জয়পুরহাট পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম ও জেলা বিএনপির আহবায়ক গোলজার হোসেন, পৌরসভার কনজারভেন্সি ইন্সপেক্টর মোঃ হেলাল উদ্দিন, পৌর বিএনপির সংগঠনিক সম্পাদক সুলভ সহ এলাকাবাসী।
    
এ সময় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী জমির মালিকগণ যায়যায়দিনকে জানান, প্রায় দুই হাজার বিঘা জমিতে এবারে ফসল ইরি ধান কাটতে পারেননি তারা এতে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন । যার আনুমানিক মূল্য সাতকোটি টাকার উপরে।

 কৃষি জমির উপরে লোন নেওয়া ছিল যা ফসল বিক্রি করে পরিশোধ করার কথা সে চেষ্টাও ব্যর্থ হয়ে বিপাকে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন তারা। আমিনুল নামের এক কৃষক বলেন আমার দুই বিঘা জমির একটুও ধান আমি উঠাতে পারি নাই, পানিতে নামলে শরীরে পচা ঘায়ের দেখা দেয় ও শরীর প্রচন্ড চুলকায়, দিনমজুর না পেলে কিভাবে ধান কাটবো?  ধান কাটাবো সেই লোক আমরা জোগাড় করতে পারি নাই। পানি দূষণের কথা শুনে কেউ এই কাজে রাজি হচ্ছে না।

শুধু আমি নই এমন ঘটনা এই মাঠের প্রত্যেকটি কৃষকের তাই সরকারের কাছে আবেদন আমাদের এই ফসল নষ্টের ক্ষতিপূরণের কোন ব্যবস্থা করা যায় কিনা সেই বিষয়টি একটু দেখবেন।
       
ক্ষতিপূরণের বিষয়টি নিয়ে যায়যায়দিনকে পৌর প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) জনাব মোঃ নুরুল ইসলাম ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য আমরা সকল প্রকার সহযোগিতা করব। আর সাময়িকভাবে পানি নিষ্কাশনের জন্য আমরা কাঁচা ড্রেনগুলো নির্মাণের কাজ দু-একদিনের মধ্যে শুরু করবো এ অঞ্চলের কৃষক যেন সঠিকভাবে বরো মৌসুমের ধান বপন করতে পারে , এখানে পাকা ড্রেন নির্মাণ করতে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষাধিক টাকার বাজেট প্রয়োজন , যা জয়পুরহাট পৌরসভার এই মুহূর্তে সক্ষমতা নাই আমরা পরবর্তীতে কোন প্রজেক্ট এর মাধ্যমে এই এলাকার কষ্ট চিরতরে নির্মূল করার চেষ্টা করব।
         
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট কৃষি কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক যায়যায়দিনকে জানান, এই বিষয়ে আমরা এখনো কিছু জানি না তবে খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT