ঢাকা | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিএমএম আদালতের উদ্যোগে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স

author
যাযাদি ডেস্ক

প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৫৩
ad003
চট্টগ্রাম চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের উদ্যোগে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহানগর দায়রা জজ মোঃ হাসানুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, আইনজীবী সমিতি, সিআইডি, পিবিআই, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, পরিবেশ অধিদপ্তর, কারা অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে সিএমএম এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, গ্রেপ্তার সংক্রান্ত আবেদনের সঙ্গে অবশ্যই কেস ডায়েরির কপি দাখিল করতে হবে এবং গ্রেপ্তারের যৌক্তিক কারণ উল্লেখ করতে হবে। সন্দেহের বশবর্তী হয়ে বা ঢালাওভাবে গ্রেপ্তারের আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি ভিকটিমদের জবানবন্দি গ্রহণ, মেডিকেল সনদ দ্রুত সরবরাহ এবং তদন্ত কার্যক্রমে অধিকতর সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট ও সেবাগ্রহীতাদের হয়রানির অভিযোগের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দূর করতে প্রয়োজনে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) ও জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেটদের সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

কনফারেন্সে বিভিন্ন থানার অফিসার ইনচার্জরা তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। এ সময় সভাপতিসহ সংশ্লিষ্ট বিচারিক কর্মকর্তারা আইনগত দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রতিনিধিত্বকারী অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া বলেন, এ ধরনের কনফারেন্স পুলিশ সদস্যদের জন্য তথ্য বিনিময় ও প্রশিক্ষণের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে আরও কার্যকর করতে সহায়তা করবে।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির নেতৃবৃন্দ আদালতের নিরাপত্তা জোরদার, জব্দকৃত আলামত দ্রুত নিষ্পত্তি এবং বিচারাধীন মামলার তুলনায় ম্যাজিস্ট্রেটের সংখ্যা বৃদ্ধির দাবি জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহানগর দায়রা জজ মোঃ হাসানুল ইসলাম জানান, আদালতে জব্দকৃত আলামত নিলামের মাধ্যমে নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে মহানগর দায়রা জজ আদালত ও চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পৃথক ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান তিনি।

সমাপনী বক্তব্যে চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এ.জি.এম. মনিরুল হাসান সরকার বলেন, “দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের সহনশীলতা দেখানো হবে না। সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে জনগণকে কোনো ধরনের হয়রানি সহ্য করতে হবে না।” তিনি সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে পারস্পরিক সমন্বয়, জবাবদিহিতা এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে কনফারেন্সের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT