ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে মা স্বামীর হাত-পা-মুখ বেধে মারধর করে ও আটকে রেখে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ।
মঙ্গলবার দিবাগত মধ্য রাতে উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে প্রতিবেশীদের সহায়তায় স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন । এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার বুধবার(১৭জুন) পাগলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা যায়, ঐ গৃহবধূ কুরচাই গ্রামে মায়ের বাড়িতে বসবাস করতেন। এক কক্ষে মা ও অন্য একটি কক্ষে গৃহবধূ স্বামী ও তিন বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান নিয়ে বাস করতেন।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত একটার দিকে ৭\৮ জনের মুখ বাধা একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঘরে ডুকে গৃহবধূর স্বামীর ও মায়ের হাত-পা-মুখ বেধে মারধর করে এবং নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে ।
এ সময় সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা গৃহবধূকে জোরপূর্বক বাড়ির পাশে একটি গাছতলায় নীচে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায় ।
পরে প্রতিবেশীর সহযোগিতায় স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে আসে ।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাগলা থানার (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে । ভুক্তভোগীকে ডাক্তারি পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ।
গফরগাঁও সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মনোতোষ বিশ্বাস বলেন, ভুক্তভোগী নারী পুলিশ হেফাজতে রয়েছেএবং এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে ।