ঢাকা | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুলাউড়ায় রাস্তার কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ

author
কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৩
ad003
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে পাঁচপীর ও বৈঠাং জালাই সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় লোকজন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ক্ষোভে ফুঁসে ওঠে এই অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা করেছেন এলাকাবাসী। এদিকে কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী সরেজমিনে পরিদর্শন করে অনিয়মের সত্যতাও পেয়েছেন।

জানা যায়, আইআরআইডিপি-৩ প্রকল্পের আওতায় কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নে পাঁচপীর জালাই মাহমুদ আলীর দোকানের সামনে থেকে বৈঠাং জালাই আমুলী পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক পাকাকরণে ৯৮ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯৫১ টাকা বরাদ্দ দেয় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। ৯৩ লক্ষ ৪৪ হাজার ১৫৩ টাকা চুক্তিতে কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার দেলোয়ার হোসেনের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কনকর্ড এন্টারপ্রাইজ। ২০২৩ সালের ১৩ ডিসেম্বর কাজটি প্রথমে শুরু হয়। কাজ শেষ হবার সময়সীমা ছিল ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়াতে কয়েক দফা সময় বৃদ্ধি করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মতিন, ফজলুর রহমান, মতাহির ইসলাম, শামীমা বেগম, আফতার আলী, আব্দুর রহিম, রাজিব আহমদ রাজুসহ অনেকেই জানান, স্বাধীনতার পর এই প্রথম পাঁচপীর বৈঠাং জালাই এলাকায় এক কিলোমিটার সড়ক পাঁকাকরণ হচ্ছে। এটা দেখে আমরা আনন্দিত হয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম থেকেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নয়ছয় শুরু করে। নিম্নমানের ইটের খোঁয়া ও বালু দিয়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন বৃষ্টির সময় সড়কে কার্পেটিং কাজ করছে। বর্তমানে সেই কার্পেটিং হাত দিয়ে টানলেই উঠে যাচ্ছে। কাজ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তারা।

এ বিষয়ে কাজের ঠিকাদার দেলোয়ার হোসেন মুঠোফোনে বলেন, কাজে কোন অনিয়ম হলে সেটা আমরা ঠিক করে দিব। পাহাড়ি টিলা এলাকায় সড়কটি হওয়ায় বৃষ্টি হলেই চলমান কাজে ব্যাঘাত ঘটে। পাহাড়ি ঢল নেমে সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। যারফলে একেকস্থানে একাধিকবার মেরামত করতে হয়েছে। কাজটি বাস্তবায়নে তিনি এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছেন।  

এ বিষয়ে কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী প্রীতম শিকদার জয় বলেন, এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে রাস্তাটি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। চলমান কাজে যেসকল ত্রুটি পাওয়া গেছে সেটি সংশোধন করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে বলা হয়েছে। সিডিউল অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ আমাদের কাছে বুঝিয়ে দিবে। কাজ সঠিকভাবে না করলে কাজের অবশিষ্ট বিল পরিশোধ করা হবেনা।


সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT