ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কুরচাই গ্রামের গভীর রাতে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে স্বামীকে মারধর করে অস্ত্রের মুখে স্বামীর হাত-পা, চোখ, মুখ বেঁধে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শনিবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করেন ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন - পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের তললী গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মোঃ শাকিল (৩০) ও বেলদিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে হিরন খান (৪০)। তারা দুজনেই এ মামলায় অভিযুক্ত আসামি।
শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলবাড়িয়া থেকে ও রাতে শ্রীপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে পাগলা থানা পুলিশ ।
এর আগে শিহাব উদ্দিন নামে মামলায় মূল অভিযুক্তকে গত বুধবার পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে বৃহস্পতিবার তাকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠালে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
গত ১৬ জুন গভীর রাতে উপজেলার পাগলা থানাধীন নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচায় গ্রামে ঘরের দরজার ভাঙ্গে স্বামীকে মারধর করে ও হা-পা বেঁধে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে বাড়ির পাশে একটি গাছের নিচে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষন করে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা ।
এ ঘটনার পর বুধবার (১৭ জুন) সকালে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় থানায় গিয়ে পুলিশকে বিস্তারিত জানায় ভুক্তভোগী পরিবার। থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা পরিচয় আরও চারজনকে আসামি করে মামলা করেন গৃহবধূর মা রোকেয়া খাতুন।
পাগলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় এজাহারনামীয় মুল আসামী শিহাব উদ্দিন সহ আরো দুই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।