ঢাকা | সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হোগলা পাতায় ভাগ্য বদলের সংগ্রাম লালমোহনের শত নারী”র

author
লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬ সকাল ৭:২৬
ad003
ভোলার লালমোহনের গজারিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নমগ্রাম। এ গ্রামের অন্তত ২ শত নারী হোগলা পাতায় নিজেদের ভাগ্য বদলানোর চেষ্টা করছেন। বছরের পর বছর ধরে নমগ্রামের নারীরা হোগলা পাতা দিয়ে তৈরি করছেন বিছানা ও হাত পাখা। এদের মধ্যে কেউ কেউ ১৫ থেকে ৪০ বছর ধরে হোগলা পাতা বিছানা তৈরির কাজে জড়িত। এসব নারী নিজেদের বাড়িতে বসেই এগুলো তৈরি করেন। এগুলো বিক্রির টাকা দিয়ে স্বামীকে সহযোগিতা করেন সংসার চালানোর জন্য।

‎নমগ্রামের ৩৮ বছর বয়সী কানন বালা ও ৫৫ বছর বয়সী জুথি রানী। তারা পরস্পর দু'জনেই সম্পর্কে জা। তাদের স্বামী কেউ সেলুনে কাজ করেন আবার কেউ দিন মজুর তাদের সংসারে আছে  ছেলে  মেয়ে। কেবল স্বামীর আয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হয়, তাই হোগলা পাতার বিছানা বুনে বাড়তি আয়ের পথ খুঁজে নেন তারা। এই ভাবে কাজ করেন নন্দিতা, নন্দিতা জানায়,তার বিয়ে হয়েছিল বিয়ের আড়াই বছরের মাথায় তাকে ফেলে রেখে চলে যান স্বামী। এরপর থেকে তিনিও বেছেঁ নিয়েছে এই কাজ। তার এক সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে  জড়ান হোগলা পাতার বিছানা বুননের কাজে। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে সে তৈরি করছেন বিছানা। 

তারা আরো জানায় , প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ১০টা এবং বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত হোগলা পাতা দিয়ে বিছানা বোনার কাজ করি। এতে দৈনিক ৬/৭ টির মতো বিছানা তৈরি করতে পারি। যার প্রতিটি বিক্রি করি ৭০/৮০ টাকা করে। এসব বিছানা বাড়িতে এসে নিয়ে যান বেপারীরা। হোগলা পাতার তৈরি এসব বিছানা বিক্রির টাকায় কোনো রকমে চলছে আমাদের সংসার।

‎এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত বিন সাদেক জানান, দেশের অসহায় জনগোষ্ঠীর জন্য সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা চালু রয়েছে। তাই ওইসব নারী আমার সাথে যোগাযোগ করলে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়ার চেষ্টা করব।

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT