ঢাকা | বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পরকীয়া প্রেমের জড়িয়ে দুটি সংসারই হারালেন কেন্দুয়ায় তিন সন্তানের জননী

author
কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩১
প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
ad003
নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় তিন কন্যা সন্তানের জননী  মোছাঃ হোসনা বেগম (৩৫) পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে দুকূলই হারালেন। মালয়েশিয়া প্রবাসী স্বামী দিলেন মৌখিক তালাক৷ আর প্রেমিক পালালেন নিজ এলাকা ছেড়ে । 

গতকাল (২৩ জুন) সব্ধ্যার আগে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের গৈচাশিয়া গ্রামের মো. আব্দুল বারেকের ছেলে সোহেল মিয়া (৩৭)'র বাড়িতে বিষন্ন হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন । গত ২১ এপ্রিলে কোর্ট ম্যারিজও করেন তাঁরা । এর আগে বিষয়টি জোরালোভাবে প্রকাশ্যে আসলে বাবুল,শামীম আহমেদ, সাইদুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম ও স্থানীয় মাতব্বররা এবং গন্ডা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল আলম রনিসহ পরকীয়া প্রেমিক সোহেলের হাতে তুলে দেন প্রেমিকা হোসনাকে এবং হোসনার শ্বশুর বাড়ির একটি মামলা (যেখানে প্রেমিক- প্রেমিকা উভয়কে আসামি করা হয়েছে) মীমাংসার জন্যে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় সোহেলকে । সোহেল তা দিতে প্রতিশ্রুতিআদ্ধও হোন ৷ অথচ প্রেমিক সোহেল এখন তাঁর স্ত্রী সন্তানসহ উধাও । এর ভেতর গত ১৬ জুন গ্রেফতার হয়ে পূর্বে উল্লেখিত মামলায় হোসনা জেলও কাটেন । এই গ্রেফতারের পেছনে সোহেলের হাত আছে বলে মনে করেন প্রেমিকা হোসনা বেগম । হোসনা বেগম আরো অভিযোগ করেন, বিভিন্ন প্রলোভনে মাধ্যমে কয়েক বছর আগে দাপে ধাপে প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন প্রেমিক সোহেল এমনিভাবে সোহেলের এর সাথে ঘনিষ্ঠতা একপর্যায়ে  তারা শারীরিক সম্পর্কও গড়ে তুলেন ৪/৫ মাস যাবত । বর্তমানে সোহেল তাঁকে ছেড়ে পালিয়েছে । কোন খোঁজ খবর নিচ্ছেন না । হোসনা আক্ষেপ করে বলেন, আমার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই । আমি এই বাড়িতেই থাকবো । তিনি আরো বলেন, সোহেল আমাকে ঠকিয়েছ ৷ আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই । 

জানা যায়, একই ইউনিয়নের মরিচপুর গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী ওয়াসিমের স্ত্রী (এবং ঈশ্বরগঞ্জ থানার আঠারো বাড়ি ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের মেয়ে) মোছাঃ হোসনা বেগম । যদিও ইতোমধ্যে ওয়াসিম হোসনাকে মৌখিকভাবে তালাক দিয়েছেন ৷ তাদের সংসারে রয়েছে -রায়পা (৪), রায়মা (৮) ও রায়সা (১২) নামে তিন সন্তান ।

ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজাউল আলম রনিসহ এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে এর পুরো ঘটনার সত্যতাও পাওয়া যায় ৷

অভিযুক্ত সোহেলের সাথে যোগাযোগ করা না গেলেও তাঁর আপন বড় ভাই মো. সাদ্দাম মিয়া বলেন, আমার ভাই আমাদের থেকে আলাদা ৷ আমিও তাঁর সাথে কথা বলার চেষ্টা করছি । কিন্তু পারছি না ৷ তিনি আরো বলেন, এঘনায় অন্যায় দুজনেরই ভুল আছে ৷

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানা অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ তরিকুল ইসলাম সাথে  মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হবে তিনি জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT