কিশোরগঞ্জে ভৈরবের মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার মাইজচর গ্রামের মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া। গতকাল মঙ্গলবার ভৈরবের মেঘনা নদীঘাটের পলতাকান্দা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে নৌ-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার লাশ ময়না তদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ পাঠিয়েছে পুলিশ।
ভৈরব নৌ-থানার ইনচার্জ মোঃ মনির হোসেন জানান, লাশের খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী হাছনারাসহ তার পরিবারের সদস্যরা আজ নৌ-থানায় এসে লাশটি সনাক্ত করেন।
জানা যায় মাসুদ মিয়া পেশায় একজন সিএনজি চালক ছিল। গত ১৯ জুন বিকেল ৫ টায় সে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। এরপর তাকে খোঁজাখোঁজি করে তার সন্ধান না পেয়ে ২৩ জুন বাজিতপুর থানায় স্ত্রী হাছনার একটি জিডি করেন ( জিডি নং ৯৪৩) । তার স্ত্রীর ধারনা স্বামী মাসুদকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কোন চক্র তাকে হত্যা করে বস্তাবন্দি অবস্থায় নদীতে ফেলে দেয়।
নিহতের স্ত্রী হাছনারা জানান, আমার স্বামী পেশায় সিএনজি চালক। গত ১৯ জুন বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে ফেসবুকে লাশের খবর দেখে আজ বুধবার ভৈরব নৌ- থানায় এসে লাশ সনাক্ত করি। তিনি আরো বলেন, আমার স্বামীকে কোন একটি অপরাধী চক্র পরিকল্পনা করে হত্যা করার পর বস্তাবন্দি করে নদীতে ফেলে দেয়, এমনটা আমার সন্দেহ রয়েছে। ঘটনায় আমি জিডি করলেও এখন হত্যা মামলা করব বাজিতপুর থানায়।
এলাকার বিএনপি নেতা বশীর আহমেদ বলেন, আমার গ্রামেই মাসুদের বাড়ী। লাশের খবর পেয়ে আজ তার পরিবারের সদস্যদের সাথে ভৈরব নৌ- থানায় আসি। নিখোঁজের পর থেকে তাকে খুঁজতে সহযোগীতা করেছি আমি । তাকে কে বা কাহারা হত্যা করল বুঝতে পারছিনা। তবে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে তার ধারনা।