ঢাকা | শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গাজীপুরে বারি’তে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি-২০২৬ উদ্বোধন

author
গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৩ জুলাই, ২০২৬ বিকেল ৪:০৩
ad003
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি  অনুযায়ী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই, ২০২৬) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই)-এর উদ্যাগ প্রতিষ্ঠানর প্রধান কার্যালয় বক্ষ রাপণ কর্মসূচি-২০২৬ আনুষ্ঠানিকভাব উদ্বাধন করা হয়ছ। এ বছর এ বিষয় বিএআরআই এর থিম শ্লাগান "জলবায়ু পরিবর্তনর সাথ লড়াই, অভিযাজনই হাক কষি বিজ্ঞানীদর শ্রষ্ঠ্ সাফল্য।"

একজাতীয় গাছ না লাগিয় প্রকতিত কার্যকর ও শাভাবর্ধনকারী বিভিন প্রজাতির মিশ্র উ¢িদ, মসলা ও ঔষধি এবং ফলদ গাছর বিভিন চারা রাপণর মাধ্যম কর্মসূচির শুভ উদ্বাধন করন বিএআরআই-এর সম্মানিত মহাপরিচালক কষিবিদ ড. মা. মন্জুরুল কাদির এবং উদ্বোধন পরবর্তী বক্তব্যে ড. কাদির বলেন, বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে কার্বন ক্রেডিট অর্জন এবং মৌমাছির আবাসস্থল সৃষ্টি করে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি করা বর্তমান সরকারের একটি অত্যন্ত দূরদর্শী ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ। মৌমাছির আবাসস্থল সৃষ্টির ফলে কৃষকরা মধু ও মোম আহরণ কর অতিরিক্ত অর্থনতিক সুবিধাও লাভ করত পারন। এছাড়া একই সাথ জলবায়ু পরিবর্তন মাকাবলা করব এবং কষকদর অর্থনতিকভাব লাভবান কর। অন্যদিক এ উদ্যাগর ফল বিভিন প্রজাতির ফুল ও ফলদ গাছ বদ্ধি পয় মমাছির আদর্শ আবাস¯ল সমদ্ধ করব। এত মমাছিরা গাছ থক মধু সংগ্রহর পাশাপাশি ফুল ফুল ঘুর পরাগায়ন (চড়ষষরহধঃরড়হ) নিশ্চিত করব এবং বিশ্বর প্রায় এক-ততীয়াংশ ফসল, বিশষ কর ফল, সবজি, মসলা ও তলবীজ পরাগায়নর জন্য মমাছির ওপর নির্ভরশীল। তাই গাছপালা বাড়ল মমাছির সংখ্যা বদ্ধি পায়, যা পরাক্ষভাব ফসলর ফলন ২০% থক বহুগুণ পর্যÍ বাড়িয় দয়।

মাননীয় প্রধানম¿ীর নির্বাচনি প্রতিশ্রæতি সামন রখ বক্ষ রাপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর আয়াজক আঞ্চলিক মসলা কদ্র, গাজীপুর এর প্রধান বজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মাহা: মাসুদুল হক ঝটু বলন, আমরা এখন একগুছ চ্যালঞ্জর মুখ রয়ছি, যা একযাগ মাকাবিলা করত হব। বশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন হলা তার অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনর প্রভাব মাকাবিলা করা এবং এর সাথ খাপ খাইয় নওয়াই কষি বিজ্ঞানীদর মূল লক্ষ্য। সরকারর টকসই বক্ষ রাপণ কর্মসূচির মাধ্যম যুগপৎভাব বায়ুমÐলর কার্বন ডাই-অক্সাইড শাষণ কর কার্বন ক্রডিট অর্জন এবং মমাছি ও পাখির জন্য উপযুক্ত প্রাকতিক আবাস¯ল তরি করা সম্ভব হব। এত একদিক যমন বিশ্ববাজার কার্বন ব্যবসা থক বিপুল বদশিক মুদ্রা আয় করা যাব অন্যদিক মমাছির সঠিক পরাগায়নর ফল ¯ানীয় কষিত বিশষ কর ধান, সরিষা, সূর্যমুখী, ডালজাতীয় শস্য এবং বিভিন ফল, সবজি ও পঁয়াজ বীজ উৎপাদনসহ মসলার উৎপাদন ২০% থক ৪০% পর্যÍ বদ্ধি পাব। বর্তমান পরি¯িতিত জলবায়ু পরিবর্তনর আগ্রাসনর গতি প্রকতি এতটাই ভয়াবহ য, কবল বর্তমান প্রচষ্টা দিয় তা ঠকানা সম্ভব হছ না। তাই জলবায়ু পরিবর্তনর গতিক রুখত হল সরকারর নওয়া কর্মসূচির সাথ আমাদর প্রচলিত কষিবিজ্ঞানক এআই এবং ডটা-চালিত প্রযুক্তির সাথ একীভত করই সম্মুখ এগিয় যত হব।

এ সময় আরও উপ¯িত ছিলন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও যাগাযাগ) ড. রশমা সুলতানা, পরিচালক (গবষণা উইং) ড. ফারুক আহমদ, পরিচালক (উদ্যানতত্ব গবষণা কদ্র) ড. কাউছার উদ্দিন আহম্মদ, পরিচালক (কদাল ফসল গবষণা কদ্র) ড. নির্মল কুমার দত্ত, পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন উইং) ড. হাবিব মাহাম্মদ নাসর, পরিচালক (সবা ও সরবরাহ উইং) ড. মা. মাশারফ হাসন মাল্লা সহ বিএআরআই-এর সকল বিভাগীয় ও কদ্র প্রধানগণ, মুখ্য বজ্ঞানিক কর্মকর্তা, প্রধান বজ্ঞানিক কর্মকর্তা, উর্দ্ধতন বজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বজ্ঞানিক কর্মকর্তাসহ প্রতিষ্ঠানর বিভিন পর্যায়র কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট শ্রমিকবদ।

উল্লখ্য, এ বক্ষ রাপণ কর্মসূচির আওতায় বিএআরআই এর উদ্যাগ সারাদশর ছয়টি কদ্র, আঞ্চলিক কদ্র ও স্টশনসহ বিভিন উপ-কদ্রসমূহ ও তার আওতাধীন এলাকায় পাঁচ বছর পর্যায়ক্রম সাড় সাত লাখ এবং সুচনা বছর প্রায় ১.৩৩ লাখ বিভিন প্রজাতির ফলদ, মসলা ও ঔষধি এবং শাভাবর্ধনকারী গাছ উৎপাদন, সংগ্রহ, বিতরণ, রাপণ ও পরিচর্যা করা হবে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT