ঢাকা | রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেন্দুয়ায় এইচএসসি, আলিম ও বিএমটির প্রথম দুই পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১১৫ পরীক্ষার্থী

author
কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৫ জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৩৬
ad003
নেত্রকোণার কেন্দুয়া উপজেলায় ২০২৬ সালের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার প্রথম দুই পরীক্ষায় মোট ১১৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলছেন, নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে কঠোর নজরদারি, সিসিটিভির আওতায় পরীক্ষা পরিচালনা এবং বিধি-বিধান কঠোরভাবে বাস্তবায়নের ফলে আগের তুলনায় কিছু শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন না।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে ৩৩ জন, আলিমে ৬ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ১৫ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। ওইদিন মোট অনুপস্থিতির সংখ্যা ছিল ৫৪ জন।

এরপর ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত বাংলা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে ৩৬ জন, আলিমে ৬ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ১৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনের মোট অনুপস্থিতি ছিল ৬১ জন।

দুই দিনের হিসাব অনুযায়ী, এইচএসসিতে মোট ৬৯ জন, আলিমে ১২ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। সব মিলিয়ে প্রথম দুই পরীক্ষায় অনুপস্থিতির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৫ জন।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শফিকুল বারী বলেন, বর্তমান পরীক্ষা ব্যবস্থায় কঠোর নজরদারি এবং নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। ফলে আগের তুলনায় উপস্থিতির হার কিছুটা কমলেও পরীক্ষার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রিফাতুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভির মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে এবং নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে। অনিয়মের সুযোগ না থাকায় কিছু পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে না। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত অধ্যয়ন, আত্মবিশ্বাস ও পর্যাপ্ত প্রস্তুতির মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম ও এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় কেন্দুয়া উপজেলায় মোট পরীক্ষার্থী ২ হাজার ৮৭৭ জন। এর মধ্যে এইচএসসিতে ১ হাজার ৬৭৭ জন, আলিমে ১৪৬ জন এবং এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষায় ১ হাজার ৫৪ জন অংশ নিচ্ছেন।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, নকল ও অনিয়মমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ইতিবাচক দিক হলেও, যেসব শিক্ষার্থী প্রস্তুতির অভাব বা অন্য কারণে পরীক্ষায় অনুপস্থিত থাকছে, তাদের কারণও গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। এতে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।   সারাদিন বিদ্যুৎ না থাকায় সংবাদ পাঠাতে বিলম্ব হলো।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT