নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলায় আসমা আক্তার নামে ৫ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে আসামি শাহাদাত হোসেনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার দুপুরে আসামির উপস্থিতিতে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ফারজানা আক্তার এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদন্ড ছাড়াও আসামির এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এ সময় নিহত আসমা আক্তারের পিতা মামলার বাদী শাহজাহানসহ তার পরিবারের সদস্য এবং এলাকার লোকজন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তারা এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি জানান।
ভুক্তভোগী আসমা আক্তার চাটখিলের বদলকোট ইউনিয়নের মেঘা গ্রামের মাওলানা মো. শাহজাহানের মেয়ে।
মামলার একমাত্র আসামি শাহাদাত হোসেন (২৬) একই গ্রামের বাবুল হোসেনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৪ মার্চ মেঘা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছর বয়সী শিশু আসমা আক্তার। এর ৮ দিন পর গ্রেপ্তার করা হয় একই বাড়ির বাবলু মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেনকে।
পরে তার দেওয়া তথ্যে বাড়ির পেছনের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরে আদালেতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে শাহাদাত জানান, ধর্ষণের ঘটনা প্রকাশ হয়ে যাওয়ার ভয়ে তিনি শিশুটিকে শ্বাসরোধে হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি সেলিম শাহী বলেন, মামলায় উপস্থাপিত সাক্ষ প্রমাণ ও আসামির স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে বিচারক আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেন।