মৌলভীবাজার সদর উপজলায় এক সুটকি তৈরি কারককে খুন কর বাথরুমে বস্তাবদি করে রাখা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের ব্রাম্মণগ্রাম এলাকায় লোমহর্ষক এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থনীয় সূত্র জানায়, নিহত আব্দুল আজিজ (৩১) সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার আমতৈল এলাকার শামছুল হকের পুত্র। তিনি বিগত প্রায় ১০ বছর যাবৎ ওই গ্রাম বসবাস করে টাকার বিনিময়ে সুটকির প্যাকট তৈরি করে আসছেন।। পুলিশ আরও জানায়, ঘটনার দিন দিবাগত রাতে পাশের বাড়ির বিকৃত মস্তিষ্কের সুলমান মিয়া নামের এক ব্যক্তির ঘরের বাথরুম থেকে স্থানীয়দের সহযোগীতায় বস্তা বন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। সুলেমান দা দিয়ে কুপিয়ে তাকে হত্যা করে বাথরুমে রেখে দেয়। নিহতর মাথা, পা ও কাঁদে কুপের চিহ্ন পাওয়া যায়। ঠিক কোন কারণে তাক হত্যা করা হলা এমনটি জানতে চাইলে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম মঙ্গলবার বিকল সাড়ে ৫টায় বলেন, ঘটনার পর গ্রামের ডোবা থেকে তাকে আটক করা হয়েছে। আসামী বিকৃত মস্তিষ্কের নিয়ে বসবাস করছেন। সে আটকের পর জানিয়েছে, তাকে “জিনপ ধরেছে” তাই কিছু বলতে পারেনি ঠিক কেন খুন করেছেন। তিনি আরও বলেন, আসামী থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। লাশ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল মৌলভীবাজার মর্গে রাখা হয়েছে। আটককৃত সুলেমান ওই গ্রামর হাজি মানা উল্লাহ’র পুত্র।
এদিকে জেলার বড়লখা উপজলায় সুফিয়ান আহমদ (২৪) নামের এক যুবককে প্ররাচনা করে বিষ পান করিয়ে হত্যার অভিযাগ উঠেছে। গল ৫ জুলাই বড়লেখা থানায় হত্যা মামলা দায়র করা হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লখা থানার এসআই নিউটন দত্ত বলেন, যতটুকু জানতে পেরেছি, বাহাদুরপুর গল্লাসাঙ্গন গ্রামের ইমাম উদ্দিনর পুত্র সুফিয়ান একই উপজলার রাঙ্গাউটি গ্রামের লিজা আক্তারের সাথে প্রমের সম্পর্ক গড়ে আদালতে এফিডভিট করে বিয়ে করেন। পরে তিনি তাক ঘরে তুলতে পারেননি। পরবর্তীতে লিজাকে অন্যত্র বিয়ে দিতে তার পরিবার সিদ্ধান্ত নেন। বিষয়টি মেনে নিতে না পারায় গত ৩ জুলাই সুফিয়ান বিষ পান করলে তাক দ্রুত সিলট এমএজি ওসমানি হাসাপাতাল ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধিন অবস্থায় মারা যান তিনি। এ ঘটনায় গত ৫ জুলাই তার পরিবারর পক্ষ থেকে থানায় এক হত্যা মামলা দায়র করা হয়।