হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ সাংস্কৃতিক সংগঠন অর্ক সাংস্কৃতিক জোট-এর বাৎসরিক সিগনেচার অনুষ্ঠান 'গাঙচিল-২৩'।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নূর হোসেন হল মাঠে আয়োজিত এই সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, আমন্ত্রিত অতিথি, স্পন্সর, মিডিয়া পার্টনার এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিকূল আবহাওয়া ও বৃষ্টি উপেক্ষা করেও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানে অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক মো. তাসনিমুল হাসান প্লাবন বলেন, গাঙচিল আমাদের অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের বাৎসরিক সিগনেচার আয়োজন। দেশীয় সংস্কৃতিকে পুনরুদ্ধার ও নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরাই আমাদের মূল লক্ষ্য। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চা একজন শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব, মূল্যবোধ ও জীবনদর্শন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অর্ক সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কামরুল হাসান বলেন, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে ৩১ বছর ধরে অর্ক সাংস্কৃতিক জোট সুস্থ ধারার বাঙালি সংস্কৃতি চর্চায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এটি সম্পূর্ণ শিক্ষার্থীদের একটি অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন। আমাদের প্রতিটি আয়োজনের উদ্দেশ্য ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়,বরং বিশ্ববিদ্যালয়কে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করা এবং একটি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলা।
উল্লেখ্য,গাঙচিল-২৩-এ দিনব্যাপী মোট ১৭টি বৈচিত্র্যময় পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ছিল— গাঙচিলশীর্ষক কবিতা আবৃত্তি, থিম পারফরম্যান্স, শ্রুতিনাট্য, ক্লাসিক্যাল নৃত্য, নকশিকাঁথার মাঠ, অস্তিত্বের মুক্তি, কনসেপ্ট কাপল, অবদমিত স্বপ্ন, হিপ-হপ নৃত্য, ফোক গান, অগ্নিলাস্য, ক্যাসেটেরা, লস্ট রিভারি, নেপালি ফিউশন, নাটক, ক্যানভাস এবং মডার্ন কাপল পরিবেশনা।