রাজবাড়ী পাংশা উপজেলার মৌরাট ইউনিয়নের হরিনাডাঙ্গা গ্রামের আনন্দ বাজারে চায়ের দোকান করে জীবিকার নির্বাহ করে আসছিল সুজন আলী নামের এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান।
জমি ও পূর্ব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্যে সুজন আলীকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে প্রতিপক্ষ।
শনিবার সন্ধ্যা রাতে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে কাইয়ুম মেম্বারের নির্দেশনায় হাসান শেখ,ওহাব শেখ,শাকিল শেখ,মুকুল জোয়ার্দার, রাসেল শেখসহ ১০-১২ জন মিলে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে সুজন আলীকে বেধরক মারপিট ও কুপিয়ে জখন করে।
আহত সুজন আলীকে প্রথমে পাংশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এখন পর্যন্ত সুজন আলী আশংকা মুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন সুজনের পিতা বাবুল শেখ। তিনি বলেন আমার ছেলের অবস্থা এখনো ভাল নয়, আমি গরীব মানুষ ছেলেটাকে উন্নত চিকিৎসা নিতে হবে।
এ ঘটনায় আহত সুজন আলীর পিতা বাবুল শেখ বাদী হয়ে পাংশা মডেল থানায় ৮ জনের নাম উল্লেখ্যসহ আরো ৩/৪ জনকে অজ্ঞাত করে থানায় মামলা দায়ের করেছে ।
মামলার প্রেক্ষিতে পাংশা থানা পুলিশ এখন পর্যন্ত হাসান ও শাকিল নামের দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এ ব্যাপারে পাংসা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন মামলার প্রেক্ষিতে এ মামলার ১ ও ৩ নাম্বার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।