গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সনমানিয়া ইউনিয়নের ধানদিয়া গ্রামের প্রসাগর ও তার স্ত্রীর সম্পতিতে লাগানো কলাবাগান থেকে একই গ্রামের বাসিন্দা নুরুল ইসলাম জোর পূর্বক ৮/১০ টি কলার ছড়ি কেটে নিয়ে গেছে। এসময় প্রসাগরের স্ত্রী ববিতা রানী বাধা দিলে তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে সরিয়ে দেয়।
একই এলাকার নুরুল ইসলাম এর স্ত্রী ও তার বাড়িতে থাকা তার বায়রা ভাইয়ের ছেলে বিধানসহ কয়েকজন মিলে ববিতা রানীকে মারধোর করে হত্যা করার হুমকি দেয়।
এমতাবস্থায় পরিবারটি চরম নিরাপত্তা হীনতায় বলে ববিতা রানী দৈনিক যায়যায়দিনকে জানান। তিনি আরও বলেন,আমার পরিবারকে নিয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছি জানিনা কখন কি হয়।
এলাকাবাসী ও পরিবার সূত্রে জানাযায় ধানদিয়ক মৌজার জমিটির মালিক ছিলেন প্রয়াত,,,,,,,।তার সন্তানদের নামে সঠিক ভাবে আরএস রেকর্ড হয়নি। পরবর্তী সময়ে আরএস রেকর্ড সংশোধন চেয়ে গাজীপুর আদালতে প্রসাগরের স্ত্রী ববিতা বাদী হয়ে মামলা করেন।
আদালত ববিতার পক্ষে রায় দিলে সহকারী কমাশনার কাপাসিয়া থেকে নামজারী জমাভাগ করে নেন।
কিন্তু তার আগেই প্রসাগরের ভাই,,,, জমাটি স্থানীয় ধানদিয়া গ্রামের নুরুল ইসলামের নিকট,,,,, শতক জমি বিক্রি করে দেন। ববিতা বলেন, নুরুল ইসলাম যার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছে সে এই জমির মালিক না জমির মালিক হলো প্রসাগর। নুরুল ইসলাম প্রসাগরের ভাইয়ের কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছে তার কাছ থেকে জমি বুঝে নিবে। আমাদের কেন দায়ভার নেই।ববিতার স্বামী প্রসাগর ও তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা চেয়েছেন প্রসশনের নিকট।