ডেঙ্গুতে বছরে গড়ে ৯০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত তিন বছরে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৭০০ জনের। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বাড়াতে না পারলে মৃত্যুর হার আরো বাড়তে পারে।
শুক্রবার বিকেলে ডিএনসিসি এবং গুলশান সোসাইটি গুলশানের বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে মাসব্যাপী ডেঙ্গু সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে গুলশান সোসাইটির সভাপতি ব্যারিস্টার ওমর সাদাত বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ে। এ রোগের প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতার কোন বিকল্প নেই। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, অন্যান্য ধর্মের উপাসনালয়, পাড়া-মহল্লা এবং বস্তি এলাকায় সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাবেন। পাশাপাশি ব্যানার, পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ করবেন।
তিনি আরো বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই মশা আছে। কিন্তু মশার কামড়ে বাংলাদেশের মত এত মানুষের মৃত্যুর কোন দেশে হয় না। শুধু অসচেতনতা এবং দ্বায়িত্বহীনতার কারণে গত তিন বছরে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মানুষ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। যা খুবই উদ্বেগজনক এবং হতাশার। এমন মৃত্যু ঠেকাতে সচেতনতা ও দ্বায়িত্বশীলতার কোন বিকল্প নেই। মশা নিয়ন্ত্রণ বা ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ একদিন বা একটা নির্দিষ্ট সময়ের ব্যাপার নয়। এজন্য গুলশান সোসাইটি সারা বছর ব্যাপী কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
অনুষ্ঠানে গুলশান সোসাইটির মহাসচিব মজিবুর রহমান মৃধা, সহ-সভাপতি আব্দুল মাজেদসহ ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উর্ধতন কর্মকর্তা, কর্মচারিসহ গুলশানের বিভিন্ন স্তরের নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।