নীলফামারীর সৈয়দপুরে শহরের বেশ ক’টি আবাসিক হোটেলে অভিনব কায়দায় ম্যানেজার ও কাজের বুয়ার সহযোগিতায় মালিকরা পরোক্ষভাবে দেহ ব্যবসা জমজমাটভাবে চালিয়ে আসছে। মাঝে-মধ্যে আইওয়াশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে খদ্দেরসহ পতিতাদের আটক করা হলেও এ ব্যবসা বন্ধ তো হচ্ছেই না বরং বেড়েই চলেছে।
সূত্র জানায়, বিশেষ করে দিনের বেলায় এ দেহ ব্যবসা জমজমাটভাবে চালানো হয়। অভিযোগ রয়েছে শহরের কোন্-কোন্ আবাসিক হোটেলে বাইরে থেকে আসা মানুষজনের থাকার মতো প্রয়োজনীয় মান-সম্মত বিছানা-বালিশ, শৌচাগার এমনকি সিলিং ফ্যান না থাকলেও শুধুমাত্র এসব অনৈতিক কারবার প্রতিনিয়ত চালিয়ে আসা হচ্ছে এবং কারা এসব অনৈতিক কারবার চালান ? প্রশাসন তা’ ভালো করেই জানেন। তাই, আইনগত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।
সূত্র জানায়, এসব কারবার বাস টার্মিনাল এলাকায়, শহীদ ডাঃ জিকরুল হক ও বঙ্গবন্ধু সড়কের হোটেলগুলোতে অহ-রহ ঘটে আসছে। সবচেয়ে মজার ব্যাপার, হোটেলগুলোতে দিনের বেলা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে এসব দেহ ব্যবসায়ী মহিলাদের রুম ভাড়া দিয়ে হোটেল কর্তৃপক্ষ মোটা বখরা নিয়ে এ কারবার চালান আবার কেউ-কেউ বাইরে ও এলাকার চিহিৃত দেহ-ব্যবসায়ীদের হোটেলে এনে এসব অনৈতিক কাজ করে যাচ্ছেন।
লক্ষ্য করা গেছে, রাতের বেলা হোটেলগুলোর রেজিষ্টার থানায় নিয়ে সই-স্বাক্ষর করে নিয়ে আসা হলেও প্রশাসন রাতের বেলা হোটেলগুলো পরিদর্শনও করেননা। এমনও অভিযোগ রয়েছে কয়েকটি হোটেলের লাইসেন্সও নেই।
এ ব্যাপারে জানতে সৈয়দপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজার মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।