ঢাকা | সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অস্বীকারের রাজনীতি নাকি আত্মসমালোচনার পথ

author
আহসান হাবিব বরুন

প্রকাশিত : ২৪ জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৫২
প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
ad003
রাজনীতিতে পরাজয় লজ্জার নয়; লজ্জার হলো পরাজয়ের পরও সত্যকে অস্বীকার করা। ইতিহাসের বিচারে কোনো সরকারই চিরস্থায়ী নয়, কোনো নেতাই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নন এবং কোনো রাজনৈতিক দলই জনগণের ওপর অনন্তকাল কর্তৃত্ব করার অধিকার রাখে না। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে শেখ হাসিনার পতন সেই চিরন্তন সত্যেরই এক নির্মম উদাহরণ।

দেড় দশকের অধিক সময় ক্ষমতায় থাকার পর ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। তাঁর দেশত্যাগের পর এখন যে রাজনৈতিক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা চলছে—বিশেষ করে তিনি নাকি জানতেন না তাঁকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, তিনি নাকি গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় যাওয়ার কথা জানতেন—তা বাংলাদেশের জনগণের স্মৃতি, প্রত্যক্ষ ঘটনাপ্রবাহ এবং ভারতের সরকারি বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

ভারতের সংসদে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করের বক্তব্য এই বিতর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ নথি। ৬ আগস্ট ২০২৪ রাজ্যসভায় তিনি জানান, ৫ আগস্ট নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠকের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং অত্যন্ত অল্প সময়ের নোটিশে ভারতে আসার অনুমতি চান। একই সঙ্গে তাঁর ফ্লাইটের জন্য ক্লিয়ারেন্সের অনুরোধ আসে এবং তিনি ওই সন্ধ্যায় দিল্লিতে পৌঁছান।

এই বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্য অত্যন্ত গভীর। কারণ, এটি কোনো রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বক্তব্য নয়; এটি ভারতের সংসদে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সরকারি ব্যাখ্যা। ফলে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা যদি এখন এমন একটি গল্প প্রতিষ্ঠা করতে চান যে তিনি ভারতে যাওয়ার বিষয়টি জানতেন না, তবে সেই বয়ানকে প্রশ্ন করা স্বাভাবিক। রাজনীতিতে মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তথ্যকে অস্বীকার করে ইতিহাস লেখা যায় না।

ক্ষমতা হারানোর পর পরাজিত শাসকরা প্রায়ই নিজেদের পতনের বাস্তব কারণকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। কখনো তারা জনগণের অভ্যুত্থানকে ষড়যন্ত্র বলেন, কখনো বিদেশি চক্রান্ত, কখনো সামরিক অভ্যুত্থান, কখনো আবার দাবি করেন যে তারা পরিস্থিতির প্রকৃত বাস্তবতা সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। কিন্তু ইতিহাসের শক্তি হলো—সাক্ষ্য, দলিল, প্রত্যক্ষদর্শী এবং রাষ্ট্রের সরকারি নথি শেষ পর্যন্ত মিথ্যা বয়ানকে অতিক্রম করে যায়।

শেখ হাসিনার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটছে। ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ কোনো সাধারণ রাজনৈতিক পালাবদল ছিল না। এটি ছিল দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ক্ষোভ, নির্বাচনী আস্থার সংকট, বিরোধী মত দমন, রাষ্ট্রযন্ত্রের অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণ, মতপ্রকাশের সংকোচন এবং ক্রমবর্ধমান জনঅসন্তোষের বিস্ফোরণ। দেড় দশকের ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ও দলকে এমনভাবে একীভূত করেছিল যে সরকারের সমালোচনা অনেক সময় রাষ্ট্রবিরোধিতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তির ওপর মামলা, গ্রেপ্তার, দমন-পীড়ন এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থার সংকট গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করেছে।এই বাস্তবতাকে অস্বীকার করে শুধু বিদেশি ষড়যন্ত্রের গল্প বললে জনগণের অভিজ্ঞতা মুছে যায় না।

আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সমর্থকদের একটি বড় যুক্তি হলো—দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, অর্থনীতি এগিয়েছে, বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে, সেতু ও যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত হয়েছে। এসব অর্জন অস্বীকার করার কোনো কারণ নেই। কিন্তু এখানে বেশুমার লুটপাটের প্রসঙ্গটিও এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। একটি সরকারের উন্নয়নমূলক কাজকে স্বীকার করা এবং একই সঙ্গে তার গণতান্ত্রিক ব্যর্থতার সমালোচনা করা—এই দুই বিষয় পরস্পরবিরোধী নয়।

কিন্তু উন্নয়ন কখনো নাগরিক স্বাধীনতার বিকল্প নয়। সেতু, রাস্তা, বিদ্যুৎ বা মেগা প্রকল্প জনগণের অধিকার; এগুলো কোনো সরকারের ব্যক্তিগত অনুগ্রহ নয়। জনগণ উন্নয়নের বিনিময়ে ভোটাধিকার, আইনের শাসন, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা, মুক্ত গণমাধ্যম ও জবাবদিহি বিসর্জন দিতে বাধ্য নয়।

ক্ষমতার দীর্ঘস্থায়ী কেন্দ্রীকরণ শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রকে দুর্বল করে। কারণ, তখন সরকার মনে করে জনগণের চেয়ে ক্ষমতার কাঠামোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান এবং রাষ্ট্রের অন্যান্য কাঠামো যদি একটি দলের ক্ষমতা রক্ষার উপকরণে পরিণত হয়, তাহলে একদিন সেই কাঠামোই জনগণের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত হয়।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ও নৈতিক প্রশ্ন হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সহিংসতা। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং প্রতিবেদনে ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে প্রায় ১,৪০০ মানুষের নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রতিবেদনে সাবেক সরকার, নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কাঠামো এবং আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত সহিংস উপাদানগুলোর বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক গ্রেপ্তার, নির্যাতন ও অন্যান্য গুরুতর লঙ্ঘনের অভিযোগও তদন্তে উঠে এসেছে।

এই সংখ্যাগুলো কেবল পরিসংখ্যান নয়। প্রতিটি সংখ্যা একটি পরিবার, একটি অসমাপ্ত জীবন, একটি মায়ের সন্তান, একটি শিশুর বাবা কিংবা একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ। তাই রাজনৈতিক বিতর্কে নিহত মানুষের সংখ্যা নিয়ে দলীয় প্রচারণা নয়, নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচার হওয়া উচিত।

যদি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অপরাধ করে থাকে, তার বিচার হওয়া উচিত। আবার বিচারকে প্রতিহিংসার হাতিয়ার বানানোও উচিত নয়। সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের নীতি হলো—অপরাধের বিচার হবে প্রমাণের ভিত্তিতে, রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে নয়।

এখানেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: শেখ হাসিনার পতনের সঙ্গে কি আওয়ামী লীগেরও রাজনৈতিক মৃত্যু ঘটেছে? আমার বিশ্লেষণ হলো—শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ অত্যন্ত কঠিন, কিন্তু আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎকে একেবারে শূন্য বলে দেওয়া রাজনৈতিকভাবে সরলীকরণ হবে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ একটি দীর্ঘ ঐতিহাসিক শিকড়সম্পন্ন দল। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দলটির সাংগঠনিক উপস্থিতি—এসব কারণে দলটি রাতারাতি সামাজিকভাবে বিলীন হয়ে যাবে, এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়।

তবে দলটির পুরনো রূপে ফিরে আসা কঠিন। ২০২৫ সালের মে মাসে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয় এবং দলটির বিরুদ্ধে চলমান বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত করা হয়। ২০২৬ সালের জুনে সরকারের পক্ষ থেকেও বলা হয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়া চলাকালে দলটির মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে এবং দলটির ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত আদালত ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের বিষয়।

অতএব আওয়ামী লীগের সামনে তিনটি পথ—আত্মসমালোচনা, সংস্কার অথবা রাজনৈতিক প্রান্তিকতা।

প্রথম পথ হলো সত্য স্বীকার করা। ২০২৪ সালের হত্যাকাণ্ড, দমন-পীড়ন, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও রাষ্ট্রযন্ত্রের অপব্যবহারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে। দ্বিতীয় পথ হলো নেতৃত্বের সংস্কার। দলটি যদি মনে করে একজন ব্যক্তিই দল, একজন পরিবারের উত্তরাধিকারই দল এবং একজন নেতার ব্যক্তিগত বয়ানই ইতিহাস—তাহলে তার ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

তৃতীয় পথ হলো গণতন্ত্রে ফিরে আসা। আওয়ামী লীগকে যদি ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফিরে আসতে হয়, তবে তাকে প্রমাণ করতে হবে যে দলটি আর কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত ক্ষমতার যন্ত্র নয়। তাকে গণতান্ত্রিক অভ্যন্তরীণ কাঠামো, নতুন নেতৃত্ব, স্বচ্ছ অর্থনীতি, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক জবাবদিহির প্রতি অঙ্গীকার করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো অতিরিক্ত ব্যক্তিনির্ভরতা। দীর্ঘ সময় ধরে দলটির রাজনৈতিক পরিচয় ক্রমশ শেখ হাসিনাকেন্দ্রিক হয়ে উঠেছিল। ফলে দলের মধ্যে বিকল্প নেতৃত্বের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। যে দল একসময় বহু প্রবীণ, মেধাবী ও মতাদর্শিক নেতার রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ছিল, সেখানে ধীরে ধীরে আনুগত্য, ব্যক্তিপূজা এবং ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার সংস্কৃতি প্রাধান্য পেয়েছে—এমন অভিযোগ বহু বছর ধরে রাজনৈতিক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।

একটি দল যখন নেতার সমালোচনাকে বিশ্বাসঘাতকতা মনে করে, তখন সে নিজের ভুল সংশোধনের ক্ষমতা হারায়। আর যে দল ভুল স্বীকার করতে পারে না, সে জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করতে পারে না।

শেখ হাসিনা যদি মনে করেন তাঁর পতনের কারণ শুধু ষড়যন্ত্র, তাহলে আওয়ামী লীগের সংস্কারের সম্ভাবনা ক্ষীণ। কিন্তু যদি দলটির ভেতরে কেউ সাহস করে বলে—হ্যাঁ, আমাদের ভুল হয়েছে; হ্যাঁ, ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে; হ্যাঁ, জনগণের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে—তাহলেই পুনর্গঠনের দরজা খুলতে পারে। এতে আমার ন্যূনতম সন্দেহ নেই।

রাজনৈতিক মিথ্যাচারের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো—তা সাময়িকভাবে সমর্থকদের উত্তেজিত করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ইতিহাসকে পরাজিত করতে পারে না। আজ কেউ বলতে পারেন তিনি কিছু জানতেন না, কোনো সিদ্ধান্ত তাঁর ছিল না, কোনো ঘটনা তাঁর দায়িত্বে ঘটেনি। কিন্তু রাষ্ট্রের নথি, প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য, আন্তর্জাতিক তদন্ত এবং জনগণের অভিজ্ঞতা একদিন না একদিন ইতিহাসের আদালতে হাজির হয়।

শেখ হাসিনার ভারতে যাওয়ার প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় বক্তব্য তাই রাজনৈতিক বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এই বক্তব্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো বয়ান জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে হলে শক্তিশালী প্রমাণ প্রয়োজন। কেবল রাজনৈতিক বক্তব্য বা দলীয় প্রচারণা দিয়ে বাস্তবতার বিকল্প তৈরি করা যায় না।

শেষ কথা
বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ হাসিনার যুগ শেষ হয়েছে—এটি শুধু একজন নেতার পতন নয়; এটি একটি রাজনৈতিক মডেলের পতন। সেই মডেল ছিল দীর্ঘমেয়াদি ক্ষমতা, কেন্দ্রীভূত নেতৃত্ব, দল ও রাষ্ট্রের সীমারেখা মুছে ফেলা এবং উন্নয়নকে রাজনৈতিক জবাবদিহির বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করা।
এখন প্রশ্ন হলো, আওয়ামী লীগ কি অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেবে, নাকি মিথ্যা বয়ান, আত্মপ্রচার ও অস্বীকারের রাজনীতিতেই আটকে থাকবে?
যদি দলটি মনে করে জনগণ সবকিছুই ভুলে গেছেন—তাহলে সেটি ভুল ধারণা। জনগণ সব মনে রাখে। কেউ কেউ নীরব থাকে, কিন্তু ইতিহাস নীরব থাকে না।
আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শেখ হাসিনার বয়ান নয়, দলটির আত্মসমালোচনার ওপর। নির্ভর করবে দলটি ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার আগে সত্যের মুখোমুখি হতে পারে কি না তার ওপর। আর শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ—তা নির্ধারণ করবে কোনো প্রচারণা নয়; ইতিহাস, বিচার এবং তাঁর শাসনামলের কর্মকাণ্ডের উত্তরাধিকার।
বাংলাদেশের মানুষ এখন আর শুধু উন্নয়নের গল্প শুনতে চায় না। তারা সত্য চায়, ন্যায়বিচার চায়, ভোটাধিকার চায়, জবাবদিহি চায়। যে কোনো রাজনৈতিক দল—আওয়ামী লীগ, বিএনপি কিংবা অন্য কেউ—এই সত্যকে অস্বীকার করলে ইতিহাসের নিষ্ঠুর পরিণতি থেকে কেউই রেহাই পাবে না।

লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সম্পাদক, আমার দিন। 
ই-মেইল: [email protected] 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT