উখিয়া ৬৪ বিজিবি’র পালংখালী বিওপির টহল দল কর্তৃক মালিকবিহীন টাকা মূল্যের ৩০,০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ জহিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, আনুমানিক ২.৫০টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল দায়িত্বপূর্ন এলাকার সীমান্তবর্তী বিজিবি ডেইলপাড়া চেকপোস্টের পিছনে সৈয়দ নুরের বাড়ির কাছ দিয়ে ০২ জন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে মায়ানমার হতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আসতে দেখতে পেয়ে বিজিবি টহল দল ধাওয়া করলে চোরাকারবারীরা পালিয়ে যায়। উক্ত স্থানে তল্লাশি চালিয়ে এ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশি করা সত্ত্বেও অন্য কোনো অবৈধ সামগ্রী পাওয়া যায়নি। ওই এলাকায় পলায়নরত চোরাকারবারীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে উক্ত চোরাকারবারীদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
অন্যদিকে আরেকটি অভিযানে নদীপথে ইয়াবা পাচারকালে আসামীসহ আনুমানিক ১,২০,০০০ পিস ইয়াবা আটক করেছে ৬৪ বিজিবি’র বালুখালী বিওপি।
গ্রেফতারকৃত আসামি কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন দক্ষিণ রহমতের বিল গ্রামের মোঃ আনোয়ার আলী এর ছেলে মোঃ মনজুর আলী (৪০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে অধিনায়ক জানান, আনুমানিক ১০.৩০ টায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) এর অধীনস্থ বালুখালী বিওপি’র বিশেষ টহল দল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দক্ষিণ রহমতের বিল নামক স্থান দিয়ে নদী পথে মায়ানমার হতে ০১ জন ব্যক্তিকে বস্তা মাথায় করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে সন্দেহ মনে হয়। বিজিবি’র টহল দল আটককৃত ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ করলে সে নদীপথে দৌড়িয়ে পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে বিজিবি সদস্যরা আটক করে। পরবর্তীতে তাকে তল্লাশী চালিয়ে এ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। আটককৃত ব্যক্তিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত ইয়াবা মায়ানমার সীমান্ত হতে ক্রয় করতঃ অধিক দামে বিক্রয়ের উদ্দেশ্য বহন করছিল বলে স্বীকার করে।
উখিয়া বিজিবি’র অধিনায়ক আরও জানান, মাদক সরবরাহকারী এবং জড়িত চোরাকারবারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখা, মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে সাফল্য অর্জন করে আসছে।