ঢাকা | শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে জিবিভি হ্রাসকরণে নকশীকাঁথা প্রদর্শনী ও গবেষণার তথ্য প্রকাশ

author
উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:২৭
ad003
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা  "মুক্তি কক্সবাজার' এর  উদ্যোগে " নকশীকাঁথা প্রদর্শনী ও  মানবিক সংকটে  জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা হ্রাসকরণে হস্ত ও অংকনশিল্প-নির্ভর কর্ম-পদ্ধতি"   শীর্ষক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় গবেষণার ফলাফল  উপস্থাপন ও  অনুষ্ঠিত  হয়েছে।

গত সোমবার  কক্সবাজারের লং-বিচ হোটেলের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন 'মুক্তি কক্সবাজার ' এর প্রধান নির্বাহী  বিমল চন্দ্র দে সরকার। এতে প্রধান অতিথি  ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত সচিব এবং শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন করেন ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের সহযোগী অধ্যাপক ড. মারুফা আক্তার। গবেষণায় মানবিক সংকটাপন্ন পরিবেশে নকশিকাঁথা, দেয়ালচিত্র এবং লোকগানের মতো হস্ত ও অংকনশিল্প-নির্ভর উদ্যোগ কীভাবে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা হ্রাসকরণে ভূমিকা রাখতে পারে, ক্ষতিকর জেন্ডারভিত্তিক সামাজিক ধ্যান-ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে এবং কমিউনিটির মধ্যে ইতিবাচক সংলাপের ক্ষেত্র ও সুযোগ তৈরি করতে পারে তা বিশদভাবে তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার  মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “এই গবেষণার ফলাফল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতার পরিস্থিতি ক্রমেই উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। এ প্রেক্ষাপটে বাস্তব পরিস্থিতি বিশ্লেষণ এবং হস্ত ও অংকনশিল্প-নির্ভর উদ্যোগ কীভাবে এ সমস্যা মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে পারে, তা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি ও সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।”

সভাপতির  বক্তব্যে ' মুক্তি কক্সবাজার ' এর প্রধান নির্বাহী  বিমল চন্দ্র দে সরকার সামাজিক পরিবর্তন ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সৃজনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “হস্ত ও অংকনশিল্প এমন একটি শক্তিশালী সৃজনশীল মাধ্যম, যা নারী, পুরুষ, কিশোর ও কিশোরীদের নিজেদের অভিজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগ করে দেয়।

উক্ত কর্মশালায় আরআরআরসি কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, ক্যাম্প ১২, ২২, ৮ ওয়েস্ট ও ২৪-এর ক্যাম্প-ইন-চার্জগণ  এবং জিআইজেড, ইউএনএফপিএ, ইউনিসেফ, আইওএম, ডব্লিউএফপি, অক্সফাম, কেয়ার বাংলাদেশ, সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল, প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ, ব্র্যাক, ইপসা, এইচআই, সেন্টার ফর ডিসিবিলিটি ইন ডেভলপমেন্ট-সহ বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে একটি বিশেষ প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়। এতে গবেষণায় অংশগ্রহণকারী রোহিঙ্গা নারীদের তৈরি ১৬টি নকশিকাঁথা প্রদর্শিত হয়। এসব শিল্পকর্মে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা, নারীর অধিকার, নিরাপত্তা, পারস্পরিক দায়িত্ববোধ এবং ক্ষতিকর সামাজিক রীতিনীতির নানা দিক শিল্পসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়।
গবেষণা প্রকল্পটি অর্থায়ন করেছেন ওআইডি  গ্লোবাল।






সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT