ঢাকা | বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: স্বাধীন বিবেকের পথ দেখিয়েছে

author
আহসান হাবিব বরুন

প্রকাশিত : ৪ আগস্ট, ২০২৬ বিকেল ৪:২৫
ছবি-সংগৃহীত ছবি-সংগৃহীত
ad003
আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট এমন এক রক্তাক্ত অধ্যায়, যা কেবল একটি সরকারের পতনের ইতিহাস নয়; এটি একটি জাতির দীর্ঘ নীরবতার অবসান, ভয়কে পরাজিত করার মহাকাব্য এবং স্বাধীন বিবেকের পুনর্জাগরণের ইতিহাস।
 
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে দুনিয়া কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন এবং দেশ ত্যাগ করেন। ইতিহাসের চাকা যখন কোনো এক চোরাবালিতে এসে স্থবির হয়ে পড়ে, যখন রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অহংকার একটি গোটা প্রজন্মের বুক থেকে স্বাধীনতার বাতাস কেড়ে নিতে চায়, তখনই ইতিহাসের গর্ভ থেকে জন্ম নেয় প্রতিরোধ। জুলাই-আগস্টের বাংলাদেশ ছিল তেমনই এক বিস্ফোরিত প্রতিরোধের নাম।
 
তরুণেরা বুকের তাজা রক্ত ঢেলে যে নতুন ভোরের সূচনা করেছে, তা কেবল একটি দীর্ঘ শাসনব্যবস্থার পতন ঘটায়নি; বরং দীর্ঘ দেড় দশকের ভয়, জড়তা ও স্তব্ধতার দেয়াল ভেঙে বাঙালি জাতিকে দেখিয়েছে স্বাধীন বিবেকের পথ। সেই রক্ত আমাদের মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। শিখিয়েছে—ভয় যত বড়ই হোক, মানুষের সম্মিলিত সাহস তার চেয়েও বড়।
 
কিন্তু আজ, সেই রক্তাক্ত স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো—যে স্বপ্ন নিয়ে তরুণেরা বুলেটের সামনে দাঁড়িয়েছিল, আমরা কি সেই স্বপ্নের মর্যাদা রাখতে পারছি?
 
জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক বিস্ফোরণ ছিল না। এটি ছিল বহু বছরের জমে থাকা ক্ষোভ, অপমান, বঞ্চনা, রাজনৈতিক সংকোচন, অর্থনৈতিক বৈষম্য ও নাগরিক অধিকার হরণের সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া।
 
২০০৯ সালের পর বাংলাদেশের অর্থনীতি ও অবকাঠামো উন্নয়নের নানা দৃশ্যমান পরিবর্তনের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ক্ষমতার অতিরিক্ত কেন্দ্রীভবন নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা ক্রমে গভীর হয়েছে। ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনকে ঘিরে মানুষের ভোটাধিকার ও অংশগ্রহণের প্রশ্ন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় বিতর্কে পরিণত হয়। সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রাণ হলো জনগণের ভোট। সেই ভোট যদি মানুষের আস্থার জায়গা হারায়, তবে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে জনসম্পৃক্ততা হারাতে শুরু করে।
 
গণমাধ্যম, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, বিরোধী রাজনীতি এবং নাগরিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার অভিযোগও ক্রমে প্রবল হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মতো আইনকে ঘিরে সাংবাদিক, লেখক, মানবাধিকারকর্মী ও নাগরিক সমাজের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল, তা রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।
 
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সরকারের সমালোচনা রাষ্ট্রবিরোধিতা নয়; বরং রাষ্ট্রকে সংশোধনের অন্যতম প্রধান উপায়। কিন্তু যখন ভিন্নমতকে শত্রুতা হিসেবে দেখা হয়, তখন গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হতে থাকে।
 
বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোর একটি হলো গুম ও নিখোঁজের অভিযোগ। বহু পরিবার বছরের পর বছর অপেক্ষা করেছে তাদের প্রিয়জনের ফেরার আশায়। অনেক সন্তান বাবার মুখ না দেখেই বড় হয়েছে। কোনো রাষ্ট্রের জন্য এর চেয়ে গভীর মানবিক ট্র্যাজেডি আর কী হতে পারে?
 
‘আয়নাঘর’ নামটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধানে একটি গভীর ক্ষতের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। গোপন বন্দিশালা, নিখোঁজ মানুষ এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের অভিযোগ শুধু ব্যক্তির ওপর আঘাত নয়; এগুলো একটি সমাজের সম্মিলিত নিরাপত্তাবোধকে ধ্বংস করে।
 
রাষ্ট্রের হাতে আইন প্রয়োগের ক্ষমতা থাকে। কিন্তু সেই ক্ষমতা যদি আইনের বাইরে গিয়ে ব্যবহৃত হয়, তবে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আর নিরাপত্তার প্রতীক থাকে না—তা ভয়ের প্রতীকে পরিণত হয়।
 
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শিক্ষা হলো, কোনো রাষ্ট্রই নাগরিকের স্বাধীনতা ও মর্যাদার ঊর্ধ্বে নয়। রাষ্ট্রের শক্তি জনগণের ওপর নয়, জনগণের আস্থার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে।
 
রাজনৈতিক দমন-পীড়নের পাশাপাশি অর্থনৈতিক লুণ্ঠনের অভিযোগও মানুষের ক্ষোভকে গভীর করেছে। ব্যাংকিং খাতে ঋণখেলাপি, জালিয়াতি, রাজনৈতিক প্রভাব, অর্থপাচার এবং দুর্নীতির অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করেছে।
 
একদিকে সাধারণ মানুষ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপে পিষ্ট হয়েছে; অন্যদিকে একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছে—এমন অভিযোগ সমাজে বৈষম্যের অনুভূতিকে তীব্র করেছে।
 
যে দেশে একজন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান চাকরি পাওয়ার জন্য বছরের পর বছর অপেক্ষা করে, সেখানে রাজনৈতিক প্রভাবশালী গোষ্ঠীর অর্থনৈতিক উত্থান মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তৈরি করে। যে ব্যাংক জনগণের আমানতের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে, সেই ব্যাংক যদি কিছু গোষ্ঠীর লুণ্ঠনের শিকার হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো অর্থনীতি।
 
জুলাইয়ের আন্দোলন তাই কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতার আন্দোলন ছিল না; এর অন্তর্নিহিত সুর ছিল অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারেরও দাবি।
 
কোটা সংস্কারের একটি ন্যায়সঙ্গত দাবি থেকে যে আন্দোলনের সূত্রপাত, তা দ্রুত রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের কারণে সর্বজনীন গণআন্দোলনে রূপ নেয়। তরুণদের প্রতি অবমাননাকর রাজনৈতিক ভাষা এবং আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ পরিস্থিতিকে আরও বিস্ফোরক করে তোলে।
 
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্য বাংলাদেশের ইতিহাসে সাহসের এক অসামান্য প্রতীক হয়ে আছে। তার পর মীর মুগ্ধ, ওয়াসিম, ইয়ামিন, ফারহান ফাইয়াজসহ অসংখ্য তরুণের আত্মত্যাগ আন্দোলনকে পরিণত করে জাতীয় মুক্তির সংগ্রামে।
 
তারা কোনো ক্ষমতার চেয়ার চায়নি। তারা চেয়েছিল মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা।
 
৫ আগস্টের জনসমুদ্র প্রমাণ করে দিয়েছিল—বুলেট দিয়ে মানুষের শরীর থামানো যায়, কিন্তু মানুষের স্বাধীন আকাঙ্ক্ষাকে চিরদিন বন্দি করা যায় না।
 
জুলাইয়ের চেতনা কেবল ক্ষমতার হাতবদল নয়। এটি কোনো দলের বিজয়ও নয়। এটি ছিল রাষ্ট্রের চরিত্র পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা।
 
জুলাইয়ের মূল সুর ছিল বৈষম্যহীনতা। এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে নাগরিকের পরিচয় তার দল নয়, তার মেধা ও মানবিক মর্যাদা; যেখানে ধর্ম, মত, বর্ণ, অঞ্চল বা রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কেউ দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হবে না।
 
জুলাইয়ের চেতনা ছিল এমন একটি রাষ্ট্রের স্বপ্ন, যেখানে পুলিশ জনগণের নিরাপত্তার প্রতীক হবে; প্রশাসন হবে নিরপেক্ষ; বিচার হবে স্বাধীন; নির্বাচন হবে বিশ্বাসযোগ্য; গণমাধ্যম হবে মুক্ত; আর সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে।
 
সবচেয়ে বড় কথা, জুলাইয়ের চেতনা ছিল এমন একটি সাংবিধানিক কাঠামোর আকাঙ্ক্ষা, যেখানে কোনো ব্যক্তি, দল বা সরকার রাষ্ট্রের সব ক্ষমতা নিজের হাতে কেন্দ্রীভূত করতে পারবে না।
 
স্বৈরাচারের পতন ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয়। কিন্তু কোনো শাসকের পতনই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সমার্থক নয়। বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থানের পর সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণ।
 
আজকের বাংলাদেশ সেই কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতীয় ঐক্যের যে আবেগ জুলাই-আগস্টে তৈরি হয়েছিল, তা যেন ধীরে ধীরে দলীয় প্রতিযোগিতা, ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সুবিধাবাদী রাজনীতির চাপে ক্ষীণ না হয়ে যায়।
 
মুখ বদলালেই রাষ্ট্র বদলায় না। পুরোনো প্রতিষ্ঠান, পুরোনো সংস্কৃতি ও পুরোনো ক্ষমতার কাঠামো যদি অক্ষত থাকে, তাহলে নতুন মুখের মধ্য দিয়েও পুরোনো প্রবণতা ফিরে আসতে পারে। তাই প্রয়োজন ব্যক্তি পরিবর্তনের চেয়ে প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন।
 
মব জাস্টিসের বিস্তারও গভীর উদ্বেগের বিষয়। অপরাধের বিচার আদালতে হবে, রাস্তায় নয়। যে রাষ্ট্র আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়, সেখানে জনতার হাতে বিচার কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
 
স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে যদি আমরা আইনকেই দুর্বল করে ফেলি, তবে তা হবে জুলাইয়ের আত্মত্যাগের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।
 
জুলাই শহীদদের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা জানাতে হলে স্মৃতিচারণের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্রীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে।
 
প্রথমত, ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে। কোনো প্রধানমন্ত্রী যেন রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকে একক নিয়ন্ত্রণে নিতে না পারেন, তার সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা প্রয়োজন। সরকারপ্রধানের মেয়াদ সীমিত করার মতো বিষয়ও জাতীয় আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা যেতে পারে।
 
দ্বিতীয়ত, বিচার বিভাগকে কার্যকর স্বাধীনতা দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রাজনৈতিক ব্যবহার থেকে মুক্ত করতে হবে।
 
তৃতীয়ত, গুম, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার হতে হবে প্রমাণভিত্তিক, স্বচ্ছ ও প্রতিহিংসামুক্ত।
 
চতুর্থত, ব্যাংকিং খাতকে রাজনৈতিক প্রভাব ও লুটেরাদের হাত থেকে মুক্ত করতে হবে। অর্থপাচারকারীদের বিরুদ্ধে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তুলতে হবে।
 
পঞ্চমত, শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে পুনর্গঠন করতে হবে, যাতে মুখস্থনির্ভরতা নয়, সৃজনশীলতা, দক্ষতা, গবেষণা ও নৈতিকতা গুরুত্ব পায়।
 
আর সর্বোপরি, বাংলাদেশকে তার বহুত্ববাদী চরিত্রকে শক্তিশালী করতে হবে। ভিন্নমত গণতন্ত্রের শত্রু নয়; ভিন্নমতই গণতন্ত্রের প্রাণ।
 
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট বাংলাদেশের আত্মায় চিরস্থায়ীভাবে খোদাই হয়ে থাকবে। সেই রক্ত আমাদের শিখিয়েছে—মানুষ যখন ভয়কে অতিক্রম করে, তখন কোনো স্বৈরাচারই চিরস্থায়ী হয় না।
 
কিন্তু ইতিহাসের আরেকটি কঠিন সত্যও আমাদের মনে রাখতে হবে—স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা অনেক কঠিন।
 
আজকের বাংলাদেশ তাই এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। একদিকে শহীদদের রক্ত, অন্যদিকে ক্ষমতার পুরোনো প্রলোভন। একদিকে নতুন রাষ্ট্র নির্মাণের স্বপ্ন, অন্যদিকে পুরোনো সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা।
 
আমরা যদি জুলাইয়ের চেতনাকে কেবল স্লোগানে পরিণত করি, তবে সেই রক্তের প্রতি সুবিচার হবে না। যদি শহীদদের নামে রাজনীতি করি, কিন্তু তাদের স্বপ্নের বাংলাদেশ নির্মাণ না করি, তবে ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।
 
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রাষ্ট্র কোনো ব্যক্তির সম্পত্তি নয়, ক্ষমতা কোনো দলের চিরস্থায়ী অধিকার নয়, আর জনগণ কোনো সরকারের প্রজা নয়।বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীন নাগরিক। এই সত্য প্রতিষ্ঠাই হোক জুলাইয়ের অঙ্গীকার।
 
আসুন, শহীদদের স্বাধীন বিবেকের পথ ধরে আমরা এমন এক বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে রাষ্ট্র ভয় দেখাবে না—নিরাপত্তা দেবে; সরকার দমন করবে না—জবাবদিহি করবে; আদালত ক্ষমতার নির্দেশে নয়—আইনের শাসনে চলবে; আর কোনো তরুণকে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বুক পেতে দাঁড়াতে হবে না।

জুলাইয়ের রক্ত যেন আর কোনোদিন নতুন স্বৈরাচারের জন্ম না দেয়—এই হোক আজকের দিনের সবচেয়ে বড় প্রতিজ্ঞা।
 
লেখক: সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক 
ই-মেইল: [email protected] 

সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SH.AL

SH.AL

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT