জন্মনিবন্ধন সংক্রান্ত একটি মামলায় পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ইউপি সচিব এবং বর্তমানে চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নুরুল আলমকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল আলম কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর এলাকার মৃত আবু সালামের ছেলে।
তবে রায় ঘোষণার পরপরই উচ্চ আদালতে আপিল দায়েরের শর্তে নুরুল আলমের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত। ফলে তিনি বর্তমানে জামিনে মুক্ত রয়েছেন।
একই মামলায় পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিম ও পেকুয়া উপজেলার তৎকালীন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) সৌভ্রত দাশকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।
রায়য়ের বিষয়ে নুরুল আলম আজ বুধবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটি মূলত ২০১৭ সালে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান শরাফত উল্লাহ চৌধুরী ওয়াসিমকে কেন্দ্র করে দায়ের করা হয়েছিল। এজাহারে তাঁর নাম ছিল না এবং তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগও আনা হয়নি। পরবর্তীতে দুদকের তদন্তে তাঁকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
তিনি আরও দাবি করেন, মামলার বাদী পরবর্তীতে মামলা প্রত্যাহার করেছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে কোনো সাক্ষী সাক্ষ্য দেননি। এরপরও চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত তাঁকে সাজা প্রদান করেন।
নুরুল আলম জানান, তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার জন্য সময় প্রার্থনা করলে আদালত আপিলের শর্তে তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। তিনি দ্রুত উচ্চ আদালতে আপিল করবেন এবং ন্যায়বিচার পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, নুরুল আলম বর্তমানে আদালতের আদেশে জামিনে মুক্ত রয়েছেন। মামলাটি এখনো চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়ায় এর আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।