জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে অসাধারণ সাফল্য, দক্ষ প্রশাসনিক নেতৃত্ব এবং জনসেবায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ঢাকা বিভাগের ‘জুলাই ২০২৬ মাস সেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)’ নির্বাচিত হয়েছেন মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও জনবান্ধব করতে তাঁর নেতৃত্বে শিবালয় উপজেলা প্রশাসন একাধিক কার্যকর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে। নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজীকরণ, সময়মতো সেবা নিশ্চিতকরণ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত এসব উদ্যোগের ফলে উপজেলার নিবন্ধন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। সেবার মানোন্নয়ন ও দক্ষ প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার জন্যই তিনি এ সম্মানজনক স্বীকৃতি লাভ করেন।
এই অর্জনের সংবাদ পেয়ে শিবালয় উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকসহ মোবাইল ফোনে এবং নানা উপায়ে তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এ স্বীকৃতি মাঠ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তাদেরও জনসেবায় আরও আন্তরিক ও দায়িত্বশীল হতে উৎসাহিত করবে।
শুধু জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমেই নয়, জনসেবামুখী প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডেও নিজেকে ব্যতিক্রমী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইউএনও মনিষা রানী কর্মকার। প্রশাসনিক ব্যস্ততার মাঝেও উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কোনো অভিযোগ বা সমস্যার খবর পেলেই তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সরেজমিন পরিদর্শন করেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
স্থানীয়রা জানান, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ, মাঠপর্যায়ে সক্রিয় উপস্থিতি এবং জনবান্ধব প্রশাসনিক দৃষ্টিভঙ্গির কারণে অল্প সময়েই সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন তিনি। জনগণের দোরগোড়ায় প্রশাসনিক সেবা পৌঁছে দিতে তাঁর আন্তরিকতা, সততা ও কর্মনিষ্ঠা শিবালয়ে একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
এ ব্যাপারে শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার বলেন, এই সম্মাননা অর্জনে আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এ স্বীকৃতি আমার দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতেও সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। সরকারের সেবাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।