ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন

author
সাইফুল ইসলাম, দাউদকান্দি

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৬:১৭
ad003
দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া সামনে রেখে ক্ষমতাসীন বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়েও সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য নামগুলোর মধ্যে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী ও পাঁচবারের সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নামও গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে।

তবে এখনো রাষ্ট্রপতি পদে কাউকে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি। গত ২৫ জুলাই বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামে আলোচনা করেই নতুন রাষ্ট্রপতির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রপতি পদে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম আলোচনায় আসার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সংসদীয় অভিজ্ঞতা, মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে ভূমিকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ও গবেষণার অভিজ্ঞতা, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিচালনা এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের দীর্ঘ ইতিহাস। তাঁর কর্মজীবনের দিকে তাকালে দেখা যায়, রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, গবেষণা, মুক্তিযুদ্ধ, রাষ্ট্র পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক পরিসরে তিনি বহুমাত্রিক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের সূচনা

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গয়েশপুর গ্রামে। দাউদকান্দি হাইস্কুল থেকে ১৯৬২ সালে ম্যাট্রিকুলেশন এবং চট্টগ্রাম সরকারি কলেজ থেকে ১৯৬৪ সালে আইএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগ থেকে ১৯৬৮ সালে এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করেন।

ছাত্রজীবনেই সাংগঠনিক নেতৃত্বে যুক্ত হন তিনি। ১৯৬৪-৬৫ শিক্ষাবর্ষে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের সহকারী সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৭-৬৮ শিক্ষাবর্ষে হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়েই তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতা ও নেতৃত্বের ভিত্তি গড়ে ওঠে।

 শিক্ষকতা ও উচ্চশিক্ষায় উজ্জ্বল অধ্যায়

কর্মজীবনের শুরু একাডেমিক অঙ্গনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে শিক্ষকতার পাশাপাশি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে যান তিনি। লন্ডনের Imperial College থেকে ভূতত্ত্বে MSc ও DIC এবং University of London থেকে পিএইচডি অর্জন করেন। Imperial College-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি ১৯৭০ সালে MSc in Geology এবং ১৯৭৩ সালে DIC অর্জন করেন।

দেশে ফিরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণায় যুক্ত হন। ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক এবং ১৯৮৭ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ভূতত্ত্বের বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর গবেষণাকর্ম দেশ-বিদেশের বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।

শিক্ষাবিদ হিসেবে এই দীর্ঘ অধ্যায় তাঁর পরবর্তী রাজনৈতিক জীবনেও একটি স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করে। রাজনীতির পাশাপাশি জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

 মুক্তিযুদ্ধের সময় লন্ডনে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। সে সময় যুক্তরাজ্যে অবস্থান করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন তিনি।

Imperial College-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে লন্ডনভিত্তিক Bangladesh Students Action Committee-এর আহ্বায়ক হিসেবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গঠনে কাজ করেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ Students Association in Great Britain প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখেন এবং সংগঠনটির প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হন।

মুক্তিযুদ্ধে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা নিয়েও পরবর্তী সময়ে তিনি লেখালেখি করেছেন। এ বিষয়ে তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ ‘মুক্তিযুদ্ধে বিলাত প্রবাসীদের অবদান’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

বিএনপিতে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা

শিক্ষকতা ও গবেষণার পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় হন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। ১৯৭৯ সালে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার পর দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক ও ছাত্রবিষয়ক দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়ে কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির নেতৃত্বেও দায়িত্ব পালন করেন। দলের যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

১৯৯৪ সাল থেকে বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে রয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে দলীয় রাজনীতির নানা পর্যায় অতিক্রম করে তিনি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের একজন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।

পাঁচবারের সংসদ সদস্য

জাতীয় সংসদে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অভিজ্ঞতাও দীর্ঘ। ১৯৯১, ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬ সালের জুন এবং ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-২ আসন থেকে তিনি চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন পুনর্বিন্যাসের পর কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-মেঘনা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে পঞ্চমবারের মতো সংসদ সদস্য হন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও তাঁর জ্যেষ্ঠতা ও সংসদীয় অভিজ্ঞতার প্রতিফলন দেখা যায়। ১২ মার্চ ২০২৬ সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হলে তাঁকে অধিবেশনে সভাপতিত্বের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর সভাপতিত্বেই স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতা

রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে স্বল্প সময়ের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও পালন করেন। পরে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, স্বরাষ্ট্র এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণের মতো রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য দিক। ফলে নীতিনির্ধারণ থেকে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন পর্যন্ত সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

 আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কর্মজীবনের আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায় আন্তর্জাতিক অঙ্গন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫৬তম World Health Assembly-এর সভাপতির দায়িত্ব পালন তাঁর আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত।

WHO-এর সরকারি নথিতে তাঁকে ওই অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ এই অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন বাংলাদেশের একজন রাজনীতিকের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা হিসেবে বিবেচিত হয়।

রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন তাঁর কর্মপরিধিকে জাতীয় রাজনীতির গণ্ডির বাইরেও বিস্তৃত করেছে।

 লেখক ও গবেষক হিসেবেও পরিচিত

রাজনীতির বাইরে লেখালেখি ও গবেষণার সঙ্গেও দীর্ঘদিন যুক্ত ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। মুক্তিযুদ্ধ, রাজনীতি, সংসদ ও উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর একাধিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। এর মধ্যে ‘মুক্তিযুদ্ধে বিলাত প্রবাসীদের অবদান’, ‘প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ: দাউদকান্দি মডেল’, ‘সংসদে কথা বলা যায়’, ‘রাজনীতির হালচাল’, ‘সময়ের ভাবনা’, ‘প্রগতি ও সত্যের সন্ধানে’, ‘স্মৃতির অ্যালবাম’ এবং ‘আমার রাজনীতির রোজনামচা’ উল্লেখযোগ্য।

ভূতত্ত্বের ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর গবেষণার অভিজ্ঞতা। Imperial College-এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সাময়িকীতে তাঁর ২০টির বেশি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।

কেন রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় তাঁর নাম

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের দীর্ঘ কর্মজীবনের দিকে তাকালে তাঁর পরিচয়ের পরিসরটি কেবল একজন প্রবীণ রাজনীতিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। তিনি একই সঙ্গে একজন শিক্ষাবিদ, ভূতত্ত্ববিদ, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, দীর্ঘদিনের সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তি।

শিক্ষাজীবনে নেতৃত্বের মধ্য দিয়ে যার পথচলা শুরু, তিনি পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতা ও গবেষণায় যুক্ত হয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেছেন। জাতীয় রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বে থেকেছেন এবং পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতাও অর্জন করেছেন।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ৫৬তম World Health Assembly-এর সভাপতির দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা। ফলে শিক্ষা, রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ, সংসদ, রাষ্ট্র পরিচালনা ও আন্তর্জাতিক অঙ্গন—কর্মজীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ তাঁর হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পদে একজন সম্ভাব্য প্রার্থীর ক্ষেত্রে রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে দীর্ঘ কর্মজীবন, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়ে পরিচিতি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হতে পারে। সেই জায়গা থেকেই ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম রাজনৈতিক অঙ্গনের আলোচনায় আলাদা গুরুত্ব পেয়েছে।

তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ফলে কোনো ব্যক্তির রাজনৈতিক, একাডেমিক বা প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাঁকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বা নির্বাচিত করে না।

এ মুহূর্তে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী বলার সুযোগ নেই। দলীয় নীতিনির্ধারণী ফোরামের সিদ্ধান্ত এবং পরবর্তী সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। তবে দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা, সংসদীয় ভূমিকা, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা, একাডেমিক পরিচয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের কারণে রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনায় তাঁর নাম যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে, তা তাঁর দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক কর্মজীবনেরই প্রতিফলন।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT