ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উখিয়ায় বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ‘চ্যাম্পিয়ন প্যারেন্ট রিকগনিশন ইভেন্ট’

author
উখিয়া ( কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ১৪ আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
ad003
কক্সবাজারের  উখিয়ায় কন্যাশিশুর শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে পরিবারকে আরও উৎসাহিত করার লক্ষ্য "চ্যাম্পিয়ন  প্যারেন্ট রিকগনিশন ইভেন্টে" জাঁকজমক ভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার  (১৩ আগষ্ট) এফ এইচ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর  চাইল্ড ম্যারেজ নো মোর প্রজেক্ট কর্মসূচি উদ্যোগে উপজেলার  মরিচ্যার একটি  কনভেনশন সেন্টারে ব্যতিক্রমধর্মী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এফ এইচ এসোসিয়েশন উখিয়া এরিয়া অফিসের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মোহাম্মদ সালাউদ্দিনের  সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা  হাবিবা জাহান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন যথাক্রমে  উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম  উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার রুমি ও উখিয়া প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব ফারুক আহমেদ।

বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও নারীর ক্ষমতায়নে  এমন সময়োপযোগী ও অনুপ্রেরণামূলক উদ্যোগ প্রশংসার দাবি রাখে।

চ্যাম্পিয়ন প্যারেন্ট রিকগনিশন ইভেন্ট’ একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন, যেখানে কিশোরীরা তাদের অভিভাবকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে। আজকের এ সম্মাননা ও উপহার শুধু একটি পুরস্কার নয়, বরং এটি তাদের ভবিষ্যৎ জীবন পরিবর্তনের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।

বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কন্যাশিশুর শিক্ষা অব্যাহত রাখা এবং ইতিবাচক অভিভাবকত্বে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে নির্বাচিত ১০ জন চ্যাম্পিয়ন প্যারেন্ট কে ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধিত  ও উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ৯০ জন অভিভাবক এবং ১০ জন কিশোরী অংশগ্রহণ করেন।

চাইল্ড ম্যারেজ নো মোর প্রজেক্টর  ফোকাল পার্সন মোহাম্মদ ইউসুফ আলীর সার্বিক পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন এফ এইচ এসোসিয়েশনের প্রোগ্রাম ম্যানেজার  মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রোগ্রাম কো - অডিনের্টর মোহাম্মদ খালেদ সাইফুল্লাহ সরকার ও বায়েজিদ ফয়সাল।

আয়োজক সংস্থা জানান,  “বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক রোল মডেল তৈরি করে ঝুঁকিপূর্ণ  পরিবার  ও তাদের  কন্যাশিশুর শিক্ষা এবং নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে অনুপ্রাণিত করার জন্য এফ এইচ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ ( ফুড ফর দ্যা হাংরী) কাজ করে যাচ্ছেন। 

এতে করে  পরিবার, কমিউনিটি, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং স্থানীয় নেতৃত্বের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে একটি বাল্যবিবাহমুক্ত, শিক্ষাবান্ধব ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
SHA.AZH

SHA.AZH

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT