১। আমার মাকে
আমি বুঝতে পারি, আসমানের স্বর্গে,
ফেরেস্তারা কানাকানি করছে পরস্পর,
তাঁদের অমিয় ভালোবাসা খুঁজে পেয়ে
মায়ের ভালোবাসার মত ত্যাগী আর কোনটাই নয়।
তারপর সেই প্রাণের নাম ধরে ডাক দেই তোমায়
তুমি আমার মায়ের চেয়েও বেশি,
এবং পূর্ণ করো অন্তরের অন্তস্থল, যেখানে মৃত্যু
তোমায় অধিষ্ঠিত করেছিল
ভার্জিনিয়ার ধকল কাটিয়ে ওঠতে।
আমার মা- আমার নিজের মা, যে আগে মারা গিয়েছিল
আমার মা-ই ছিল, কিন্তু তুমি
মা ছিলে আমার প্রিয়ার
এভাবেই তুমি প্রিয়তর ছিলে আমার কাছে
সেই ভালোবাসা যার গুণে
আমার প্রিয়া আত্মার আত্মীয় হয়ে উঠেছিল।
২। স্বপ্ন মাঝে স্বপ্ন
পাপড়ির উপর চুমুটা নাও!
এবং, তোমাকে ছেড়ে যাবার বেলায়,
আমাকে নত হতে দাও-
তুমি ভুল নও, যে বুঝতে পারো
আমার দিনগুলো ছিল স্বপ্নের ন্যায় ;
তবুও যদি স্বপ্ন উড়ে যায়
কোন এক রাতে, বা দিনে,
কোন লক্ষ্যে, বা কিছুতে না,
এটা কি তাহলে কিছুটা অতীত?
আমরা যা দেখি, বা মনে করি
সেটা স্বপ্নের মাঝে স্বপ্ন।
গর্জনের মাঝে দাঁড়িয়ে আমি,স্রোতাহত তীরে,
আমি হাতের মুঠোয় চেপে ধরি,
সোনালী বালুকণা-
কত অল্প- তবুও হামাগুড়ি খায় তারা
আঙুলের ফাঁক দিয়ে গভীরে-
আমি যখন ডুকরে কাঁদি- কাঁদি
ওহ ভগবান! আমি কি তাদের ধরতে পারি
আরেকটু শক্ত হাতে?
ওহ ভগবান! আমি কি বাঁচাতে পারি না
নির্দয় ঢেউয়ের হাত থেকে একটাকে?
এটাই কি সব যা আমরা দেখি বা বুঝি
স্বপ্ন মাঝে স্বপ্ন ।