ঢাকা | শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং | ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্টমার্টিনে ১৮৫০ কেজি বর্জ্য অপসারণ করল কেওক্রাডং বাংলাদেশ

author
টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত : ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৬:০৬
ad003
সেন্টমার্টিন সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশ। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কেওক্রাডং বাংলাদেশের এটি সেন্টমাটিনে ১৫মত পরিচ্ছন্ন অভিযান।

দুই দিনব্যাপী এ অভিযানে প্রায় ১৮৫০ কেজি প্লাস্টিক বর্জ্য সেন্টমার্টিন থেকে টেকনাফে অপসারণ করা হয়েছে।

দুই দিনব্যাপী পরিছন্ন অভিযানটি আজ শনিবার বিকেলে শেষ হয়। ইউনিলিভার বাংলাদেশের সহযোগিতায় এতে স্থানীয় লোকজনসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সেন্টমার্টিনের স্কুল-মাদরাসার শিক্ষার্থীসহ পাঁচ শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক এই পরিছন্ন অভিযানে অংশ নেন।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন বলেন, দুই দিনব্যাপী সেন্টমার্টিনের অলিগলি ও সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে প্লাস্টিক বোতল, প্লাস্টিকের প্যাকেটসহ নানা ধরনের অপচনশীল ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

এর আগেও সংগঠনটির উদ্যোগে দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপে এ ধরনের কার্যক্রম চালানো হয়েছিল বলে জানান তিনি।

কেওক্রাডং বাংলাদেশেকে স্বাগত জানিয়ে সেন্টমার্টিনের ইউপি সদস্য ছৈয়দ আলম বলেন, সেন্টমার্টিনকে পরিষ্কার রাখার জন্য ১৫ বছর ধরে এই কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। এইভাবে সবাই এগিয়ে এসে নিজেদের দায়িত্ব পালন করলে সেন্টমার্টিনের জন্য খুবই উপকারী হবে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটি প্রতিবছরের মত এইবছরও সেন্টমার্টিনে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে। যা সেন্টমার্টিনের জন্য খুব উপকারী।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের জন্য প্রতিবছর হাজারো পর্যটক এই দ্বীপে আসেন। স্থানীয় ও পর্যটকদের কারণে সৈকতে নানা ধরনের বর্জ্য জমা হয়ে থাকে। কেওক্রাডংয়ের মত সংস্থার প্রশংসনীয় উদ্যোগের কারণে দ্বীপের সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে বলেন তিনি।

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সমন্বয়কারী মুনতাসির মামুন বলেন, সেন্টমাটিনে সারাবছর পযর্টক আসার সুযোগ দিলে ভালো হয়। তবে খুব সীমিত সংখ্যক পর্যটক আসতে দিতে হবে। এইভাবে হলে বেশি পযটকের চাপ পড়বেনা সেন্টমাটিনে। আর সেন্টমার্টিনের মতো ছোট দ্বীপে পড়ে থাকা প্লাস্টিক যদি মূল ভূখণ্ডে নিয়ে আসা না হয় তবে এর পরিণাম শুধু এই দ্বীপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেনা। ছড়িয়ে পড়বে বঙ্গোপসাগরেও। আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ছিল সামর্থ্য অনুযায়ী সেই পরিণামকে যতটা সম্ভব সীমিত করা বলেন তিনি।
সংবাদটি শেয়ার করুন :
প্রতিবেদকের তথ্য
JJD_Online

JJD_Online

© স্বত্বাধিকারঃ যায়যায়দিন
কারিগরী সহযোগিতায় MULTISOFT